এখন তরঙ্গ তে লেখা পাঠান প্রতিমাসের ৫ থেকে ২০ তারিখ অবধি

Showing posts with label হঠাৎ চমক (বিশেষ বিভাগ). Show all posts
Showing posts with label হঠাৎ চমক (বিশেষ বিভাগ). Show all posts

হঠাৎ চমক


মেঘবালিকা এইমাত্র বন্ধুত্বে জুড়ল।
কবিতার মেয়ে তুলি
ছন্দোবদ্ধ বুলি।
স্বপ্ন দেখায় মেঘবালিকা
নানান রংয়ে রামধুন আঁকা
আরেক আছেন শাল্যদানী
তাকে দেখি সবাই মানি
মুখচোরাটা কবি জ্যোতি
কবিতা লিখে কিছুটা খ্যাতি
তরংগের এই জোয়ারেতে
হাবুডুবু?  সবাই মেতে
বইমেলাতে মিলব আবার
আসবে না হয় সময় যাবার
এগিয়ে।
রেশটা থাকুক সারা বছর, অপেক্ষাতে সেঁধিয়ে।-

অতনুদা।১০।২।২০১৮। তরঙ্গের সবাইকে উতসর্গ।

হঠাৎ চমক


অঙ্কন : শাল‍্যদানী


তরঙ্গ

বর্ণময় অনায়াস স্বাচ্ছন্দে
উড়ে বেড়ানোর পর
আকাশে ধুলোবালির  ঝড় উঠলে

ধীরে-ধীরে ভরসা আলগা হয়
ভাবনারা পাল্টা  ডানা মেলে চোরাটানের লুকোচুরি মুঠোবলিতে
ধরে রাখার টানাপোড়েন চলে

আলোর জলসায় মঞ্চে ঘোষিত নাম
পিছুটান ও দায়বদ্ধতায় বন্দী
সত্যে বন্দি, মিথ্যায় বন্দি
ঘুমের কোলে ঢুলে ঢুলে
তোর বাঁধভাঙা বিশ্বাসের  
দিকে হাঁটতে  বাধ্য হই
বাতানুকূলে খড়কুটো বয়ে
শালিখের কোনোরকমে বাসা
সবুজের  নিশ্চিত আশ্রয়টুকু
হারিয়েও ভারসাম্য

বই মেলা , ভিড় , খুব ধুলো ,
নতুন বই পাগল করা গন্ধ
সবকিছুই ছোট - বড় তরঙ্গ
তুই-আমি ঘিরে

চেষ্টা করে যাওয়া
একে অপরের প্রতিবিম্ব হতে
সাময়িক হলেও যদি
মিলের অনুরণণে দেখি রামধনু
ঠিক তখনই গুটিপকা থেকে
প্রজাপতি হওয়ার সাধ জাগলে
কোনো অনুনাদ খুঁজবো না রাজি তুই... ?

©Sonali Mandal Aich

হঠাৎ চমক


তবাস্মি (তুন্তাই)

তরঙ্গ পরিবারের(হাউস) সাহিত্য ও পত্রিকার বিভাগীয় প্রধান জ্যোতির্ময় মুখার্জির কন্যা প্রাপ্তির সুসংবাদে হঠাৎ চমক বিভাগ ফিরে এলো নতুনভাবে। তুন্তাইয়ের(তবাস্মি) ছবি সহ এবারের চমকে আমি নিজেই লিখলাম যা এলো। পাল্টায়নি, একই আছে হঠাৎ চমক


বাতাস আসতে বও
পরী ঘুমাচ্ছে।
আলো আলতো হও
পরী তাকাচ্ছে

চাঁদের ঢেলে দেওয়া পাগলামি জোৎস্না
মুখেচোখে আভায় লাল
লালে গুলাব
সেই ছোট্টখাট্টো এঞ্জেল উপগাঁথা।
সামনে আজ

ছবিতে কবিতা খেলে
গোলাম হয় মন এক নজরে
শান্তিতে নজরানা তৃপ্তি

কে তুমি জানি।
কেন তুমি জানি।
কাব্যে পরিচয় এক এবং অদ্বিতীয়
তুমিই সে : তবাস্মি

*শাল্যদানী*

হঠাৎ চমক



*****আগুন খেলা *******

                  -- অশেষ কমল

আগুন টা ছড়িয়ে পড়ছে দ্রুত
এতদিন যারা পিঠ বাঁচিয়েছিল
তারাও বুঝে নিচ্ছে
এগিয়ে আসছে লকলকে শিখা ।

অজ্‍ঞাতে এগিয়ে দেওয়া কাষ্ঠ খন্ড  ‚ ঘৃত
আরও যা যা কিছু দহনশীল
তাকে করেছে আরও লেলীহান রক্তিম বর্ন

তবে কি ভুল হয়ে গেছে কোথাও!

তবে কি ভুল ছিল যাপিত  দর্শন!
প্রতিদিনের যা কিছু তুচ্ছতা
আর একটু বেশী পাওয়ার লোভ !

সরীসৃপের মতো কেবলই
স্‍বগৃহের অন্ধকার নিরাপত্তা !

অথবা কোন অজ্ঞাত ভয় !

আগুনটাকে ছড়িয়ে দিয়েছে দিগ্‍বিদিক

পুড়ে যাচ্ছে একটার পর একটা বাসা
ঝলসে যাচ্ছে রঙিন সব পালক
মাংস ও কচি ত্‍বক পোড়ার গন্ধে
গুলিয়ে উঠছে শরীর ।

শিহরণ জাগানো আর্তনাদ
ক্রমশ আসাড় করে দিচ্ছে সর্বাঙ্গ ।

আগুনটা ছড়িয়ে পড়ছে দ্রুত
সমাজে মনে চেতনায়
অথবা যা কিছু দহনশীল সর্বত্র ....



হঠাৎ চমক




অভিশপ্ত কবিতা


        রাজ



মাঝ রাতে ফাঁপা শরীরে 

নিকোটিন ধোঁয়া 

আর কিছু দিশেহারা  

শব্দ জাহাজের ভিড় 

অনুরোধ :  তোমার রাতে একটা 

অভিশপ্ত কবিতা হবো । 


উঠলো ঝড়

ডাকলো মৃত্যু 

দেখলাম মরীচিকা

তবু কবিতা হলো না। 


কর্পূরের নেশা করলাম কবরের  পানসে জলে 

যৌবনের আতুর মাখলাম

কালো মেয়ের স্তনে মৃত কোষ হোলাম

তবু কবিতা হলো না । 



হে কিন্নর হে কিন্নরী 

হে শূন্য , হে  ভিন্ন 

হে চিহ্ন , হে নিশ্চিহ্ন  তোমাতেই ৬৮ বছর ধরে

শব্দের  খোঁজ করলাম 

তোমাতেই জ্বর গায়ে 

ইতিহাস হোলাম

তবু ও কবিতা হলো না । 



জানি সময় খুব কম 

তবে যেটুকু সময় পেয়েছি 

সাহিত্যে থাকা কবিদের সাথেই

সহবাস করেছি 

কলঙ্কিত হয়েছি ,

অভিশপ্তও হয়েছি

কিন্তু কবি হতে পারিনি

একবারের জন্যেও নয় 

হাজার বারের জন্যেও নয় । ।




হঠাৎ চমক




আয়তকার রমণী


ঐন্দ্রিলা মহিন্তা


০১.
হিংলাজের মোজাইক শানবাক্সে 
দলাওঠা প্যালেস । কাসুন্দির বাতাসে 
    মঁ   মঁ  শ্বাস 
                     ডিসটেম্পার আঙুলে 
                   বটের ছাপ লেগে থাকে 

০২.
গলায় ঠাসা কঞ্চি 
এলোচুলে কালশিটে মাখে 
চেরিখুঁটে আঁকা ঠোঁটে : ইন্দ্রচমক 

জ্বলন্ত মেঘের কয়লায়
সরলরেখার পিথাগোরাস 

০৩.
কাঞ্চন স্লাইসের জমা খণ্ড 
ভূমধ্যসাগরের আপেল 

সাদা হাতে লোহার পাতার 
শূন্য তর্জনী 

টিমটিমে জমা ভ্রমর 
ছায়ার কাঠিন্য মাপে 






হঠাৎ চমক


অমীমাংসিত


কিছু আহ্লাদ ছাড়পত্র পেলে
বাতাস বাজাতে থাকে হুইসেল
ঊষর মরুতে সবুজ বনানী
বায়োপিক এঁকে চলেছে শিল্পী
দেয়াল চিত্রগুলো সব পুরোনো
আইকন বন্দী আর কতদিন ?

ভাঙ ভাঙ ভাঙ কারা

আমার অনুভব এখন উল্টো
পাহাড়ি প্রপাতটা খুব চেনা
কল্পরাজ্যে নয় বাস্তব ছুঁয়ে
বাতাস জুড়ে কেবল গোপনীয়তা

ঝিঁঝিঁ আর রাত চুমুর

ব্যারিকেড বেঁধে মিছিল ককটেল
জিন এর তাড়নায় দাবায়
শকুনির নিত্য বেপরোয়া বাজি
তোমার আমার সংহতি বলে

গঙ্গা তেরি ম্যায়লি হ্যায়

টলতে টলতে হেঁটে যায়
জনমত জনপথ কাগজে কলমে
সবার বুকেই একটা নদী
সাঁতার শিখছি পুঁজিবাদীর সুইমিংপুলে..

©Sonali Mandal Aich


হঠাৎ চমক



কবিদের বর

     রাজ     

ভাঙা কাঁচে জমে থাকা বাস্পে
মোমদেহের জলপ্রপাত 
অজান্তেই  ছোঁয়াছুয়ি
স্তব্ধমিছিল ও এিকোন শব্দের
একটিই  সরল রেখা। 

শূন্যতে তুমি 
শূন্যতে কবিতা, শূন্যতে শেষ
আর শূন্যতেই আমার সহবাস। 

জলন্ত দাবানলে একটিই চাঁদ 
যে চাঁদে একমাএ তুমিই কলঙ্ক । 

জানি তোমার ছোঁয়াই O2
আজ  CO2 হয়
জানি তোমার ছোঁয়াই
ইতিহাসে আজও সন্ধ্যে নামে
জানি তোমার ছোঁয়াই
কবিরা আজ নিজেকে  
শাহজাহান ভাবে। 

কখন যে ফুসফুসে প্রেম জমে
 কখন যে একটু ছোঁয়াই জ্বর আসে
আর কখন যে ফাঁপা শরীরে 
 শব্দরা জোর খাটাই
সে কথা কবিদের  বর 
   কবিতাও জানে না । ।




হঠাৎ চমক



মুন্ডমালা
মহাদেব নাথ


অন্ধকার মুছে ফেলো নিশা
তপ্ত শরীরের হিমালয় থেকে ঝরে পড়ুক
থোকা থোকা কাদা

এসো মেঘা এই অন্ধকারের শপথে
প্রদীপের ভেজা বাদামের পতাকা তুলি

ভেঙে ফেলি মগডালের বিপ্লব খিস্তিখেউড়
ডুবিয়ে ফেলি হার্দিক ছাতার ক্লোজাপ

নেবুলার ভিতর এঁকে ফেলি
আমাদের বাতাবি লেবুর কচি ঘাস
ভালবাসার এই কাঙালিপনায় ধুয়ে যাক
give এন্ড take পলিসি

মেঘা এই চন্দ্রালু প্রেমের কাঁসর বাজছে
শঙ্খ বাজছে…
এখন শুধু পায়রা উড়ার পালা

তারপর শুধু তুমি আর তুমি
ভেঙে যাক দরজার আভিজ্যাত মুন্ডমাল




হঠাৎ চমক


ক্ষোভ


বিজন পন্ডিত

অলংকার অহংকার প্রসাধনী বর্ম...
মাঝে মাঝেই চুপকথায়
ডুব দেয় রূপকথা।
মনের মাথায় একমণ মাথা
ভর করেছে আজ
সমীকরণগুলো সমীরণে এলোমেলো,
হাতগুলো হাতড়ে খুঁজে বেড়াই
অভিমানের মানহানি-
শিখণ্ডীরও  শিখণ্ডী চাই।



হঠাৎ চমক

কলমেই চলুক চিৎকার (৩২)

শুভ্র শিবু


সহসা-ই স্বপ্নগুলো ভেঙ্গে চুরমার
তার কি নেই কোন প্রতিকার?
এই বাংলায় অলক্ষ্য সহস্র কর্ম
শিশুশ্রম নিষিদ্ধ, এ যেন রুপকথার গপ্প।
হে নবীন জন্ম-ই কি তোমার অভিশাপ?
আহারে বিজ্ঞ মশাই মুখেই সব অনুতাপ!
আর চাই না শিশুশ্রম
ধিক্কার দিয়ে লাভ নেই, কলমেই চলুক চিৎকার!
তিরিশ দিনের শ্রম রণদার কাছে পণ্য
ক্ষণিকের টাকায় পেঁটে-ভাতে, বাবু আমি ধন্য!
কত যে শিশুর শ্রমে বাবুমশাইরা অনন্য
ধিক্কার দিয়ে লাভ নেই, কলমেই চলুক চিৎকার।
বাল্যকাল কর্মে বিসর্জন
বাবা মায়ের সুখে আমি আজ তপ্ত!
নিয়তির পরিহাস কে দেখবে?
ধিক্কার দিয়ে লাভ নেই, কলমেই চলুক চিৎকার।

বি.দ্র:- [ পথশিশুদের উৎসর্গ, এই কবিতা।  ]





হঠাৎ চমক


শূন্য.com
জ‍্যোতির্ময় মুখার্জি

অতঃপর এই প্রবল কোলাহলে কেউ লক্ষ্য করেনি
প্রদীপ নিভু নিভু হা হা অন্ধকার
ওত পেতে:ঘরের কোণ
কিছু ব‍্যক্তিগত পোর্টফোলিও
এবং
কিছু ব‍্যক্তিগত সংলাপে
গুলিয়ে গেলে কবিতার সহজ সমীকরণ
কিছুটা দেখতে চায়
কিছুটা দেখাতে
এবং একটি রাত
মাকড়সার জাল ছিড়ে
প্রথম আলো
ডটকমের শূন্যতত্ত্ব অবশেষে ভুল করে





হঠাৎ চমক



আপেল ছুলে ফেলো।মরা খুসকির চামড়া
যেখানেই আপেল = গর্ভযাপন
চুষে নিচ্ছো সামুদ্রিক পিরামিড
লালা জড়ানো : মহাজগৎ গুহার ম্যাপ
থুঃ থুঃ থুঃ।আপেল ভেজা দুধ
হ্যামলিনের বাঁশিওয়ালা : পৃথিবীশ্রেষ্ঠ শয়তান


শব্দরূপ : রাহুল





হঠাৎ চমক


সুদীপ্তা পাল


সাধারণ হতে শেখো
অসাধারণ হতে গেলে
মধ্যবিত্ত সংসার আঁতকে উঠবে।
সংসারী হতে শেখো
দয়াবান হতে গেলে
সংসার তোমায় পাগল বলবে।
কঠোর হতে শেখো
নীতিবান হতে গেলে
সংসার জ্ঞানপাপী বলবে।
নির্দয় হতে শেখো
দানশীল হয়ে পড়লে
সংসার তোমায় অলক্ষী বলবে।
মন রাখতে শেখো
সম্মান দেখাতে গেলে
সংসার তোমায় জেদী ভাববে।
ঘুষ খেতে শেখো
সততা দেখাতে গেলে
সংসার তোমায় দুর্বল বলবে।
যন্ত্র হতে শেখো
মনের খবর রাখতে গেলে
সংসার তোমায় ভনিতা বলবে।
নির্ভরশীল হতে শেখো
স্বয়ংম্বরা হতে গেলে
সংসার তোমায় ইর্ষা করবে।
ভালগুন তো কেবল দেবতাদের থাকে
তুমি তো আর মানুষ রুপী ঈশ্বর ন'ও
তাই সংসারে খাপ খাইয়ে চলতে শেখো
ন'ইলে সংসার মহাপুরুষ ভেবে ভুল করবে।।

হঠাৎ চমক


কায়া
অনুরূপা পালচৌধুরী


আয়নার আবডালে আমি
আয়নার আদলে আমি
বামে আমি      ডানে আমি
                 মাঝে
কে ও! ও কে.....???
                 নারীকায়া।
ভাজে ভাজে প্রেম
কুঁকড়ে ওঠা চুলজল:ডগা চুয়ে পরে সাদা সাদা ফোঁটা
ক্লিভেজ ভিজে নাভি মূলে
ঠান্ডা জলবিন্দু।
জলদুধে ঘোলের স্বাদ
বোঁটায় নিকষ বাদামী ভালোবাসা;
সংকুচিত সুখ বিলি কাটে
ভর কেন্দ্রে 'আ' বেগের উল্লম্ব চাপে বসে ভেংচি কাটে কায়া।
শিকারি গোসাপের নখের থাবায় শুয়ে থাকে
   আদর≠যৌনতা।
ঢেলে পরে নীল বিষ,আঙুলের  স্বাদ নোনতা--
বিষক্রিয়ায় মিশে যায় 
কার্বন-ডাই-অক্সাইডের গুঁড়ো
তুষের আগুন:দগদগে লাল ঘাঁ
জরায়ু গলে পড়ে
জল সপসপে বিছানা মোরা বাথরুম
যোনি পথে বিদীর্ণ সূর্য
পেটে অগ্নিমান্দ্য
সখের চোখে তীব্র জ্বলন,
গিলে খায় কাঁপানো স্বাদহীন ল্যাবড়া 
মোচড়ানো দুপুর,তোমার চুমু
উদগ্র লাল জিহ্বায় কামনার জল
কাঠ ফাটা তৃষ্ণা
গনগনে আঁচে ঝলসায় কাচা মাংস
শুকনো ঠোঁটে ওয়েসিস
উফস এবড়োখেবড়ো দাঁতের কামড়
বেহায়াপনার নষ্ট জলে ভাসে
যুবতিপনার স্ট্যাটিস্টিক।

হঠাৎ চমক


একস্ট্রা ম‍্যারেটাল

ঐন্দ্রিলা মহিন্তা

১.
   ইচ্ছেমতীর গাঙচিল আলোকবর্ষ অতিক্রান্ত
   অষ্টাদশী নীড় । গোলাপসিদ্ধ মজলিস
   বামাবর্তী চাপে তন্দুরী পুড়তে থাকে.....
    হাতটানে অলিখিত ভিসুভিয়াস
   প্রজননমালা গাঁথে ।

২.
  বাস্তুশাপের আলপনায় মালভূমি অতিক্রম
  জনান্তিকার উভচরী প্রপেলার
  কুচিকুচি আবেগভরা রেকাবিতে উৎসর্গীকৃত ।
  দিঘাপাথর আলতাঘোরে শেকলনামা
  রূপোলী ঘোড়ায় -- জাড্যমুখী বুলেট
  নিউটনের হাতপুতুল হয়ে ওঠে !

৩.
   বিনোদনী সূর্যাস্ত  ছটা কুড়োতে
   থাকে..... ফুটোফুটো অন্ধবেশ্যার
   পিরিচে প্রশ্বাস । বিষমবাহুর রেলচক্র
   বিচ্যুতিকোণে গতিপথের পোট্রেট আঁকে ।

৪.
    তিরূপতি বেছানো আশ্বিনী উচ্ছ্বাস
   গঙ্গাস্নানে ব্রাহ্মক্রোধ ! মজ্জামুখী গুপ্তচর
   সেওকী  কর্মবাচ্য ? দোয়াতঢালা চন্দ্রপুলি
   মহাকালের উল্কাছাদে : উদ্ভৃত্ত ফোটন ।

৫.
    সত্তরের রেনেসাঁস হাতড়ানো কুয়াশাচুম্বন
    দলাদলা নৈবেদ্য পার্বণীঘোর -- জমকালো
     টিস্যুবোনা শ্যাওলার বিপর্যস্ততা
     সত্যান্বেষী ফাগে জন্মান্তর খোঁজে.....