এখন তরঙ্গ তে লেখা পাঠান প্রতিমাসের ৫ থেকে ২০ তারিখ অবধি

রাহুল গাঙ্গুলী


বিষয় : কবিতা (কবিতার ল‍্যাব)



আইনস্টাইন : ৩য় জানলার মুখ
----------------------------------------------------------
প্যান্টের চেন খুললে হাওয়ুই
হুশ।১ম চড়াই = ২য় চড়াই <<< হুশশশ্ >>>
লিথিয়াম পোষাক [অঅঅ।বমির মরচে] ৩য় চড়াই

ওহো রাহুল শ্যেইম্ {{{ শিমেল্ }}}! ' জৌনতা হাপুস্

বাঁড়া আর কালোজাম ঋতুস্রাব।হার্পূন লীনতাপ

মা
আমার মা।পরিকল্পিত যৌন বুলেট্

ব                 ব
       ফ।।ফ।         ছুরি
  র                র


সু - শা - ঐ - হে : আসলহীন কাকাতুয়া লাল্

দম্ মারো দম্ : চরস্ সন্ধির সান্তিউপত্যকা।ওহু
ট্রিগারের চাপ : সানি লিওন ও সারদা স্ক্যাম


বিষয় : পত্রিকা সমালোচনা



তাবিক : কিছু ভিন্ন কথা
------------------------------------------------------------
কবিতা = ক  বি  তা = তা  বি  ক = তাবিক

একটু আশ্চর্য হয়তো হতে হয়, লেখার শুরুতে এরকম সমীকরণ কেন।উল্টে দেওয়া কথায় পরস্পর বিরোধীতা থাকে, কিন্তু তা আবার সমান হয় নাকি।হয়।এই কারণেই হয়, কারণ এই বিশ্বব্রহ্মাণ্ড, তার অসীমতা, শূন্যের ভিতর উপকরণগত অসীম সময়, এই অনির্দিষ্ট গভীরতার প্রকৃতি, এই শরীরের আত্মস্থ প্রতিটা পদার্থ এবং চার্জড্ কণা : এরা সকলেই সাম্যে বিশ্বাস করে।অর্থাৎ কোনো এক স্তরে সৃষ্টি ও ধ্বংস বা নির্মাণ ও বিনির্মাণ সকলের মান সমান, পরিবর্তিত ও বিবর্তিত শুধু রূপ।আর এখানেই শক্তির মূল দ্বন্দ্ব।যেমন, একটি দোলক : তার অবস্থান সবসময় অস্থায়ী।সামনে হোক বা পিছনে হোক, সরন কিন্তু নিত্য।Absolute ফর্মে আমরা স্থায়ী থামার রূপ দেখলেও, সে কিন্তু আত্মগত ভাবে কখনোই থামে না।
এখন কথা হলো : এতো ভূমিকা কেন?দরকার আছে।কারন, এই সময়ে যারা এই দ্বন্দ্ব (couple) মেলাবার কাজ করছেন, তাদের ভিতর তাবিক পত্রিকা প্রথম শ্রেণীতে ইতিমধ্যেই উত্তীর্ণ।ইউনিভার্সিটির একদল দামাল doers, বলা ভালো চূড়ান্ত তাবিকিয়ান স্বপ্ন আকছে একসাথে।ব্র্যাকেটের ভিতর নয়, খুল্লম বলি : এদের এখন থেকে এই নামেই ডাকা উচিত।সেতুবন্ধন কি করে তার জন্য সাগর সঙ্গম খনন করেই এগোতে হবে।আসুন, তাহলে খোড়া যাক।একটু একটু করে চালাই ড্রিল :

যে কোনো পত্রিকার গুরুত্বপূর্ণ রসদ হলো তার সম্পাদকীয়।কারণ, সম্পাদকের সেটি নিজস্ব explanatory notes।সেখানে তিনি বুঝিয়ে দেন, তার উদ্দেশ্য তথা পত্রিকার বৈশিষ্ট্য ও গন্তব্যের অভিমুখ।কোনটা প্রকাশিত হবে, কোনটা নয়, কেনোই বা?এসবের ফসল তিনি আগে থেকেই জেনে রাখেন।তাই তাবিক সম্পাদক শুরু করেন এভাবে : "গোটা সংখ্যাটাই এ সংখ্যার সম্পাদকীয়।" হ্যা, এটাই পত্রিকা সর্বপ্রথম লাইন।এর আগের সংখ্যাতে ছিল 'কবির নাম নয়, কবিতা পড়ুন।'আর এখানে আছে "সম্পাদককে তেল মারার পরিবর্তে সেটুকু সময় পড়াশোনা করুন, নিজেকে জারিত করুন।"
আগের সংখ্যাটির নাম ছিলো 'রবিঠাকুর ও ডার্মিকুল' সংখ্যা, আর এটা "কলাবউ"।নাম বৈচিত্র্যে যে উন্মাদনা তাবিকিয়ানরা দেখাচ্ছে, তা ভাববার বিষয়।এই সংখ্যায় রয়েছে ৩৭জন কবির একটা করে কবিতা, ৪জন কবির দুটো করে, ২জনের সিরিজ, ৩জন কবির ৩টি করে এবং বিশেষ প্রবন্ধ কবি, চিন্তাবিদ এবং কবিতাডিহি পত্রিকার সম্পাদক অনিন্দ্য রায় লিখিত জ্যামিতিক কবিতা।প্রথমেই বলা যায় তাবিকিয়ানা কখনোই নামের পিছনে ছোটে নি।ছোটে নি, তথাকথিত পাঠক আব্দারের আহ্লাদী সোহাগের পিছনে।বরং কবিতা এখানে হাড়-মাংস-মজ্জা-স্নেহ-প্রোটিন পরিহিত জ্যান্ত মানুষ : কখনো ভাবুক, কখনো ট্রমা, কখনো ওষুধ, কখনো সমীকরণ, কখনো প্যারাডক্স।এক অদ্ভুত ডিসকোর্স অক্ষরের ছত্রেছত্রে।আসুন সেই মাটি খোড়া ডিসকোর্সের কিছু নমুনা দেখি।

প্রথমেই শুরু হয়েছে ৩ x ৩ (৩জন কবির ৩টি করে কবিতা) বিভাগ।পরিতোষ হালদারের 'পাখি' এখানে কবির সাথে ভাব করে, তারপর জেনে যায় কবিরাও পাখির মাংস খায়।আর কবি উপলব্ধি করে "অরণ্যের পথে যেতে যেতে পাখিটি শিকার হয়ে গেছে"।'ত্রিভুজ' দেখায় সম্পর্কিত এক অকথন।'শিকারি' কবিতায় পাখি → হরিন → মেয়ে → মা → হরিন → পাখি।আর : "ক্লান্ত শিকারি আকাশের দিকে তাক করে থাকে।/তার চোখে শৈশবের বর্ষা "।পরবর্তী আরেক তরুণ তুর্কী অরবিন্দ চক্রবর্তী দেখিয়েছেন মেটাফরের বৈচিত্র্য।'সান্ধ্যভাষা' কবিতায় "চাঁদ দেখতে বসলে কিছু তারা মেনকার ভূমিকায় যায় / চোখের পরকীয়ায় যায় দেউলের দৃশ্যমহাজন।" এরকমই 'কুস্তিজীবন' এবং 'পলায়নপ্রবণ' (ত্রিভুজ একটা চরিত্র।কাউকে যখন সে খুন করবে বলে শয়নযাত্রায় একাদশী ফাদে।)আরেক কবি সুমন মল্লিক লিখেছেন সময়ের চিত্রকল্প।তার তিনটি কবিতা : 'অশ্রুমিশ্রিত অলাত' / 'আগন্তুক' / 'হিমেরাসের মান্দাসে' ঐন্দ্রজালিকের চিত্রকল্প জাগলিং।

পরবর্তী বিভাগ : ১ x ৩৭।শুরু করেছেন কবি সুজিত দাস।'চুমুটুমু ইত্যাদি' : চুমুটি রাখা আছে টি-শার্টের কলারে / ফুলের তোড়ায়।ফারজানা মণি তার 'হত্যা অথবা বীন' : ভ্রূণেরা ঘুমিয়ে গেলে / সন্ধ্যা গর্ভবতী হয় - / পর্দার আড়ালে খুলে যায় শামুকের খোলোশ।ব্রতশুদ্ধ তার 'গোলাপ.কম' কবিতায় নিয়ে এসেছেন শব্দসূত্র এবং তার ব্যাখ্যা বিস্তার।"আমরা যারা প্রেমিক / আমরা যারা চাঁদ খাই / আমরা যারা হরিবোল / আমরা যারা মাতাল" প্রতিটা সূত্রের বিস্তার শুরু হয়েছে বিরুদ্ধ গতি প্রয়োগ করে।বৈশাখী রায়চৌধুরী 'একটি শিকারের দৃশ্য' কবিতায় দেখাচ্ছেন "তারপর গভীর থেকে গভীরতায় পৌঁছে যাওয়া শিকারেরা / একদিন নিজেই হবে উঠবে শিকারি"।পিন্টু পাল 'সরলরেখা' কবিতায় তুমি একটা গাছ সম্পর্ক দেখিয়েছেন প্রতিটা সরলরেখা যেমন মহাশূন্যে / অদৃশ্য বিন্দু নিয়ে / হেটে চলে / যতোক্ষন।রত্নদীপা দে ঘোষ রচিত 'বিকল্প' বা কৌস্তুভ দে সরকারের 'ডিমিটাল' অবশ্যই অন্য মাত্রার।সুপ্রিয় গঙ্গোপাধ্যায় লিখেছেন হাইকু, তার 'ঋতুচক্র' কবিতায় : দাঁত হাসে / কাশফুল মেশে বীর্যে, / দুর্গা হাটে।সাথীর 'ম্যানগ্রোভ' বা জগন্নাথ দেব মন্ডলের 'এইসব জীবন, এইসব মৃত্যু' ভাবনার জগতকে আন্দোলিত করে।কবি কুমারেশ তেওয়ারী 'আকাশকুসুম' এ লিখছেন "অভিসার থেকে এইবার ঝরে পড়বে / বজ্রগর্ভ ফুল", শুভম লিখেছেন টেক্সট্ ফর্মে 'একটি না-কবিতা'।সীমান্ত হেলাল 'নিস্তব্ধ কপাট' কবিতায় লিখছেন "আমার ধার্মিক প্রেমিকা ডেটিংয়ে এলে চুমু খেত। / খুলে দিত ছিছিংপুরের নিবদ্ধ কপাট"।পবন বর্মন লিখছেন 'রাত জাগা সংলাপ' : "সৎ শতাংশের স্টেশন নেই? / প্রতিবেশীর খুঁত খুঁতানি থামেনি তখনো!"।অরিন্দম ভাদুড়ী এনেছেন 'বৃত্ত", কৌশিক চক্রবর্তী একেছেন 'মেঘ'।অয়ন মন্ডল 'ডিজিটাল' এ বলছেন "ক্রসিং-এ দাঁড়িয়ে সরিয়ে সরিয়ে দিচ্ছি / একটা / দুটো / হাজারটা / টাইপে ভুল হলে মেশিনের সাতখুন মাপ"।দেবাঞ্জলি ভট্টাচার্য 'অপজন্ম' এ লিখছেন "আমরা প্রত্যেকে এক একথা চলমান ট্রেনের মতো, কামরায় ভাগ করা শরীর।"মৌ দাশগুপ্তের 'চারটি বিশাখা' কবিতাটি হাইকু হলেও স্বতন্ত্র।দীপ্তি চক্রবর্তী দেখালেন এক অন্য 'ভাগশেষ' : "তারপরেও থেকে যায় কিছু ভাগশেষ / অ্যাসিড হামলায় আহত  গৃহবধূ"।দুর্লভ সরকার তার 'ভুল' কবিতায় লিখছেন "যতবার তুমি নোঙর ফেলবে / আর ওড়াবে রঙিন ওড়না পাঁজর মাঝে / জেনো, তুমি ভুল করছো"।নির্মলেন্দু কুন্ডু 'খেলা' কবিতায় লিখছেন "একটা লুডোর ছক, / চারিদিকে থইথই সাপ, / একটামাত্র মই, / উঠতে পারলেই কেল্লাফতে!"।তারেক কাজী 'সফর' কবিতায় "তাহলে এমন কিছু দাও / যা আর কোনোদিন ফেরত / দিতে হবে না"।জয়ন্ত বিশ্বাস 'ভাসা' কবিতায় শুরু করেছেন ব্যক্তিগত ভ্রমণকথার উপপাদ্য।বিপ্লব রায় তার 'ছায়া' কবিতায় চলমান সম্পর্কের ইঙ্গিত দিলেন একটি মানুষ ও পাখির পারস্পরিকতায়, যেখানে মানুষটি ইচ্ছাকৃত ভাবে পাখিটিকে উড়তে বলছেন, এবং তা না হওয়ায় পাখিটির মাথা কেটে তার ভিতরে ঘাপটি অবস্থায় নিজেকেই দেখছেন।ঐন্দ্রিলা মহিন্তা এই সময়ের আরেক সম্ভাবনাময় কবি, তার 'ফর্মোফ্রেম' কবিতায় : "বিশ্রামরত প্রজাপতি মুখ, পিয়ানোর কিছু রিডে / আজও ছায়া দিয়ে ঢলে।।"
দেবযানী বসুর 'ধাত্রীপুরুষকে' আরেকটি হার্ডহিটিং মাত্রার কবিতা।"দেশোয়ালি কমেডিয়ানটিকে মনে পড়ে।রান্নার শব্দ আর অস্ত্রে হোলস্কোয়ারের টুপি পড়িয়ে দিত।যাতে ঘা না হয়।"
অভিষেক ঘোষের 'ধুলোয় পড়া বিস্কুট খেতে খেতে' টেক্সট্ ফর্মাটে একটা আত্মখোঁজের ভার্স।তেমনই অনবদ্য মোহম্মদ শাহুবুদ্দিন ফিরোজের 'জলপর্ব' কবিতাটি।তাপস বিশ্বাস 'টেনিস' কবিতায় বলেন "মাথা থেকে স্নায়ু ছিঁড়ে নামে / ফাঁপা রবারের বল", তেমন এই সময়ের আরেক উল্লেখযোগ্য কবি মহাদেবশা 'একটি কবিতা' তে বলছেন "গোপন রহস্য বিদ্যমান / এইভাবে কতকাল বসে আছে ফুল"।সৌম্যদীপ দাস আরেক সম্ভাবনাময় কবি 'দু-টাকায় চারটে' কবিতায় : ফুটপাথে বিক্রি হচ্ছে 'ম্যাজিক রিয়েলিসম্'।প্রভাস মন্ডল প্রভূত সম্ভাবনায় 'প্রস্থানদৃশ্যের জলছাপ' কবিতায় লিখছেন "রোদ নেমে যায় তন্ত্রঘন ঠোঁটে। / সারারাত বসে আছে ডানা।" তৈমুর খানের কবিতা 'নামের তালিকা' য় পাচ্ছি "যুবতী স্রোতের কাছে কে চাইবে বাঁশি? / বংশীধ্বনিতে পুড়ছে শহর"।অনীশ আহমেদ গাজি 'বেদবাক্য' লিখেছিন যতিচিহ্ন বিহীন টেক্সট্ প্রয়োগে।সৈকত সরকার 'কুমোরটুলি' তে লিখছেন "জানকী-আঙুল"।সম্ভাবনাময় অবর্তু 'মূর্খের লেখা একটি' তে বলছেন "জানি না লাল রঙের মলাট কতখানি অগ্রাহ্য / বিজয়ী রাজারা কখনো লিপস্টিক পড়ে কিনা"।

এবার যে বিভাগটি পেলাম ২ x ৪ : চারজন কবির দুটো করে কবিতা।প্রথমেই ওভারবাউন্ডারী মারলেন জ্যোতির্ময় রায়।'ব্ল্যাকক্যানভাস' কবিতা ৪টি মাত্র শব্দ নিয়ে, যা সোজাসুজি বা কোণাকুণিতে একেকটি ভিন্ন কবিতাকে বহন করে।'ঘৃণা' কবিতায় : দুমুঠোনুন ভাত... বেশ্যামেয়েটাঘামে"।মনোজিৎ দাস এই সময়ের আরেক গুরুত্বপূর্ণ কবি : লিখেছেন 'শেভড পর্ণমোচী' (ফল বীজ পাতাসহ চিনিয়েছ গাছ / পিস্টন রঙের যাপন), তেমনই 'আষাঢ়ের নাব্যতা' (আরাম অন্দরে রান্নাবাটি / নাব্যতার হইচই)।প্রদীপকুমার ঘোষ, এইসময়ের আরো একজন কবি যিনি প্রায়শই নানান্ পরীক্ষানিরীক্ষা করছেন : নতুনত্ব এনেছেন তুলনামূলক কবিতার ফর্ম প্রয়োগে।দুটি পাশাপাশি কলাম এবং সাতটি রো : সাদৃশ্য বা বৈসাদৃশ্য যেভাবে পড়েছি আমরা (কবিতা : ডিফারেন্স পোয়েট্রি : ধর্ম ও বিগ্যান)।আবার 'ভর-শক্তির সমতুল্যতা' কবিতায় : e = mc2 এ mকে বলছেন "হৃদয়ের মজ্জা - যার অস্থিতে হাড় নেই"।

পরের পর্বটি সিরিজ কবিতার।জয়িতা ব্যানার্জী গোস্বামী 'চ্যাটবক্স' কবিতায় কাজ করেছেন এক দৈনন্দিন চিত্রকল্পের রূপান্তরকরণের উপর (গাড়ির এ সি সারিয়ে রেখো সময় করে / গতবারের মতো ওভাবে ট্রাফিক জ্যাম সুদ্ধ শহুরে আলো / জানলা ঠেলে ঢুকে পড়লে... / ভেতরটা পাবলিক টয়লেটের মতো মনে হয়)।
এই পর্বে জয়ীতার মতোই আরেক সম্ভাবনাময় কবি জ্যোতির্ময় মুখার্জী, লিখেছেন "ফিনকি দিলো সাদা স্রোত / স্পর্শ মুখে 'ব' / স্লেট-পেন্সিল থাক / আয়না আঁকে ঝুরো নগ্নতা)।

সবশেষে রয়েছে কবি, চিন্তাবিদ, ডাক্তার অনিন্দ্য রায়ের প্রবন্ধ 'জ্যামিতিক কবিতা'।এই সময়ে তার এইসব প্রবন্ধ আগামী সময় নিশ্চিতভাবেই মনে রাখবে।আছে বিশ্বখ্যাত ইংলিশ কবি জর্জ কোলরিজের একটি চিঠি ও কবিতা, যা ইউক্লিডের প্রথম proposition নিয়ে।আছে Rita Dove এর একটি কবিতা (সম্পাদ্য সমাধান করলে আমাদের বাড়িও, বোধের বাড়ি, চেতনার বাড়ি বড়ো হতে থাকে)।এছাড়া Tom Billisborough এর Geometric Shapes কবিতায় ৩-পঙক্তিতে জ্যামিতির ত্রিমাত্রিক আকৃতি নিয়ে কবিতা। আছে বাংলা কবিতায় জ্যামিতির প্রয়োগ (তোমার বৃত্ত এবং আমার ত্রিভুজ পারস্পরিক সংঘর্ষে লিপ্ত হয় / আমরা দুজনেই ছিটকে পড়ি .... : জ্যামিতিক কবিতা, রতন দাস) বা (এখন ছেলেকে জ্যামিতি শিখাই / কীভাবে একটি কোণ দুই ভাগে চিরে ফেলতে হয় : মানচিত্র পাঠ, প্রবীর রায়), বিপ্লব গঙ্গোপাধ্যায় রচিত 'ত্রিভুজ' কবিতার উদাহরন :
a = স্বপ্ন
b = লড়াই
c = অবরোধ
a+b > c
ত্রিভুজের দুটি বাহুর যোগফল তৃতীয় বাহুর চেয়ে বড়ো।

এছাড়াও আমরা দেখি আরো উদাহরণ আছে : বিশ্বজিৎ লায়েক (সঠিক দাম্পত্যের ধারনা) এবং বারীন ঘোষাল (জ্যামিতি) এবং পরেশ মন্ডল (কম্পোজিশন ১)।
প্রবন্ধটি অতি জরুরি, এ কথার অবকাশ নেই।


যাইহোক, শেষ করার আগে আরো কিছু কথা না বললেই নয়।বহুজনে বহুমাত্রিক বলবে, মন্দজনে মন্দ কথা বলবে, যারা নতুন ভাষায় লিখছেন, তাদের মতো বলবেন।আদপে কিন্তু সময়ের সাক্ষর।সময়ের হিজিবিজি।তাবিকিয়ানরা হ্যাংওভার করুক, খনন্ করুক।নিষিদ্ধ যোনীমুখে শস্যচাষ হোক, হোক আরেকটা সাংষ্কৃতিক হুল্লোড়।হোক সেই দার্শনিকের মহাবেদ : যা দুমড়ে মুচড়ে বলবে, অসফল কবিতা হয় না, শুধু হয় সময়ের জারন - বিজারণ (বিছানার নগ্নতা থেকে নখ্)।

বিধিবদ্ধ সতর্কীকরণ :  পড়বেন না।যাদের লিঙ্গ অ্যাটাক্ রোগ আছে, বা চান একটু ছেনালির রামধনূ।কারণ, অনেকেই বলেছেন : তেনার পরিবার নাকি হাঁশফাঁশ করছে রাহুল নামক অতিসম্পৃক্ততায় পরিবার লজ্জা পাচ্ছে।যে কারণে অশ্লীলতার অপরাধে সম্পাদকহীন।জেহাদের স্পর্শে অক্ষর গোনা : ডোডোপাখীর "ঋ"
বাকিটা আপনাদের, যারা ভবঘুরেকে হিংসা করে পেট্রোল ভরছেন এবং যারা রাষ্ট্র ও সমাজগতো যৌনযৌন পদার্থ দেখলেই প্রোটিন ও স্নেহ ভাবেন

এলোপাথাড়ি আলোচনা।হুমহুম্ : রাহুল

শব্দরূপ : রাহুল গাঙ্গুলী

জন্ম তারিখ ঃ ১০ই আগস্ট

জন্ম সাল ঃ ১৯৭৮

জন্মস্থান : দুর্গাপুর, পশ্চিম বঙ্গ 

যোগাযোগ ঠিকানা ঃ ২৮ নং শরত পল্লী,পোস্ট অফিস - বাঁশদ্রনী, কলকাতা-৭০০০৭০।

পেশা ঃ সিভিল ইঞ্জিনিয়ার

প্রকাশিত গ্রন্থ ঃ নিজের নেই।বিভিন্ন লিটিল ম‍্যাগাজিন

সম্পদনা ঃ নেই

ইমেইল ঃ rahul.ganguli29@rediffmail.com

মোবাইল ঃ +৯১ ৯৭৪৮৯৭২৮৮৯

কিছু কথা : কবিতার দায় শুধু সময়কে দেখা বা তুলে ধরা নয়। দৄশ্যের সামনে দাঁড়িয়ে অবজেক্ট ও সাবজেক্ট রুপে নিজেকে প্রশ্ন করা এবং নিজের ভেতর তার উত্তর খোঁজা - পোস্ট উত্তর-আধুনিক কবিতায় এই প্রয়োগটাই বড্ড প্রয়োজনীয়। সেই অবস্থান থেকেই যাবতীয় পরীক্ষা।

শাল‍্যদানী


বিষয় : প্রবন্ধ


*বিন্দু তে সিন্ধু (প্রথম পর্ব)*


কোনো ধর্মতত্ত্ব নয় উপলব্ধি থেকে বলছি,

ভোরবেলা আজানের সময় আমি খেয়াল করে দেখেছি কিছু শব্দকে নিয়ে ছন্দের খেলা দিয়ে শুরু করে হিন্দু চন্ডীপাঠে সেই শব্দ গুলো রূপ নিতে শুরু করে আর ছন্দকে ভাঙা শুরু করে।
তা আবার বাইবেলের প্রার্থনায় ব্যাখ্যা আনে পরিপূর্ণ গল্পে।। সেই গল্পকে পুনরায় বিন্দু নাদে ফিরিয়ে দিচ্ছে তান্ত্রিকের বীজ মন্ত্র। 
পরের ভোরের আজানের অপেক্ষায়...

সবটাই কি সাজানো আর অপুর্ব মার্জিনাল..

আমরা অনেকে ছন্দ নিয়ে লেখাকে মানতে চাই না

আসলে ছন্দ নিয়ে কাজ কঠিন
নিজে পারিনা বলে কি তাকে ত্যাগের বুদ্ধি দিচ্ছি।।

একই কথা বলবো এক্সপেরিমেন্ট এর ক্ষেত্রেও।।

আমি এক্সপেরিমেন্ট কে কবিতার একটা বিভাগ ভাবি।।

তবে শুধু এক্সপেরিমেন্ট কবিতা বাকী সব বকবাস এসব মানি না।।

আমার দেশে নতুন শব্দ জন্ম নিতেই পারে, কিন্তু শব্দ ছন্দ পুরোনো বা ত্যাজ্য হয় না।।

কবিতায় চিহ্ন ব্যবহারে আপত্তি নেই। কিন্তু কিছু প্রশ্ন অবশ্যই আছে।।

বাংলা শব্দ ভাণ্ডার অবশ্যই পৃথিবীর অন্যতম সমৃদ্ধ ভাণ্ডার,  তাহলে আমাদের মধ্যে এমন অনুভুতি এত বেশী আর অন্যরকম যে তা বাংলা শব্দ ভাণ্ডারকে ছোট করে দিচ্ছে?

তার মানে কবি সরল থাকছেন না, সহজিয়া থাকছেন না।

জটিল বস্তুপিণ্ডতে পরিণত হচ্ছেন। যার মধ্যে শুধু চিহ্ন কিলবিল করে
শব্দহরিনী সঞ্চার করে না?

ওঁ স্বস্তিন ইন্দ্রো বৃদ্ধশ্রবাঃ স্বস্তিনঃ পূষা বিশ্ববেদাঃ।  স্বন্তিনস্তার্ক্ষো অরিষ্টনেমিঃ স্বস্তিনোবৃহস্পতির্দ ধাতু।  ওঁ স্বস্তিনো বৃহস্পতি দধাতু।। 
যজু – ২১/৬-৭।। ১৭/৬৯।।২০/৫০।। সা -১৯৭৫

বঙ্গানুবাদ: হে প্রকাশ স্বরূপ (ইন্দ্র:) ইন্দ্র পরমাত্মন! (বৃদ্ধশ্রবা:) জ্ঞানের আদি মূতত্ত্ববেত্তা। আপনি আমাদের (স্বস্তি) সর্বদা কল্যাণযুক্ত পথে নিয়ে চলুন। আপনি (বিশ্ববেদা) জড় চেতন ব্রহ্মাণ্ডের (ন:পূষা) রক্ষক আমাদেরকে সমস্ত দিক থেকে (স্বস্তি) কল্যাণযুক্ত করুণ। (স্বস্তি ন:) আমাদের কল্যাণের জন্য (তার্ক্ষ্য অরিষ্টনেমি:) শীঘ্র গতি যুক্ত অশ্বের সম গন্তব্যের শেষ প্রান্তে গিয়ে প্রাপ্ত করিতে পারি। হে (বৃহস্পতি) বেদজ্ঞানের স্বামী (ন:) আমাদেরকে সমস্ত প্রকারের মূল তত্ত্বজ্ঞান (স্বস্তি) কল্যাণের জন্য (দধাতু) প্রদান করুন। (স্বস্তি ন: বৃহস্পতি দধাতু) এই কল্যাণযুক্ত প্রার্থণা আমরা সকলে বার বার করিতেছে। আমাদের কামনা পূর্ণ হোক।

ব্যাখ্যা নয়, বঙ্গানুবাদ আনলাম মাত্র।

(শব্দ-নাদ-শব্দ) ছন্দিত ইংগিত = বেদের ভাষ্য।      

(নাদ=গুপ্ত)

ওই যুগে ওই বিষয়টা স্বাভাবিক।

আমি বেদের সময় কালে সমসাময়িক আর কোনো সাহিত্য নিদর্শন পাই না যে বেদকে সরল বা জটিল বলবো। কার সাথে তুলনা করে এগুলো বলবো?

আমরা নিজেদের বুদ্ধি দিয়ে বেদকে কেউ সরল, কেউ জটিল/বক্র ভাবি।

কিছুদিন আগে এক নবীনা কবিকে দেখেছি সখীত্ব শব্দ ব্যবহার করেছেন।

চ্যালেঞ্জ করে বলতে পারি সখীতত্ত্ব (পরকীয়া বাদ) সম্পর্কে কোনো নলেজ তার নেই।

কেন এটা?
সময়ের ডাক বলে নিজে নিজের মত যেকোনো তত্ত্ব দাঁড় করিয়ে বলবো এটা সময়ের জন্য?
কোনো পড়াশুনা থাকবে না?

নতুন শব্দ আসুক আপত্তি কোথায়
তাই বলে পুরোনো শব্দ বাদ মানতে পারলাম না

*বসিয়া বিরলে*
*থাকয়ে একলে*
*না শোনে কাহারো কথা*

পুরোণো শব্দগুলিকে বাদ দিয়ে একই ফ্লেভার আনুক কেউ।

ওপেন চ্যালেঞ্জ।।

বিনয় মজুমদারের সংকেত নিয়েছে অনেকে বিনয় মজুমদারকে বাদ দিয়ে।।

"বুকের দুধ না খাইয়ে শুধু ছোলার ছাতু খাওয়ালে কি ছেলে বাঁচে?" - রবি ঠাকুর


মহারাস।
গোপবালাগণ রাসমঞ্চে উঠেছেন। মাঝে রাসেশ্বরী বিনোদিনী এবং রাসবিহারী কৃষ্ণ। যুগলকে মাঝখানে রেখে ঘুরছেন গোপীগন। একবার ডান দিক থেকে বামদিকে আবার বামদিক থেকে ডান দিকে ঘুরছে রাসচক্র। এক কৃষ্ণ বহু কৃষ্ণ হয়ে প্রতি গোপীকে আলাদা আলাদা করে সঙ্গ দিচ্ছেন।

শব্দলেখাও এভাবে বিস্তার করে শব্দকে। শব্দই নাদ, আদি এক পিণ্ড ছন্দ। রাসমঞ্চ সেই মহাশূন্যের ভাবমঞ্চ, গোপবালাগন এক একটি শব্দ হয়ে বিস্তার লাভ করেছে। মাঝখানে আদি বিন্দুনাদ রূপে কৃষ্ণ এবং তার অস্তিত্ব প্রমাণরূপে রাধা।
রাধা→ধারা 
কৃষ্ণ অস্তিত্ব দানের নিরন্তন ধারা। সেই প্রথম প্রকাশ রূপে অস্তিত্ব আকারে শব্দরূপ রাধা। সেই আদি নাদ আর শব্দরূপকে ঘিরে আছে গোপীগন, মানে টুকরো অনুভূতিরা। তাদের প্রত্যেকের সাথেও কৃষ্ণরূপ আদি নাদ আছে। বাম দিক থেকে ডানদিকে ঘুরছে কবিতা ঝরছে। তার নাম এক্সপেরিমেন্ট,  এগিয়ে ভাবে। ডান থেকে বামদিকে ঘুরছে, আবার কবিতা ঝড়ছে। সেও কবিতা তবে সংকেত চিহ্নবিহীন। চিহ্নিত কবিতা নয়।

বেদে বলা হয়েছে একই রূপ:

ওঁ স্বস্তি পন্থামনুচরেম সূর্য়্যা চন্দ্রমসাবিব  । পুনর্দদতাঘ্নতা জানতা সংগমে মহি।।ঋ ৫/৫১/১৫

বঙ্গানুবাদ: হে কল্যাণময় প্রভু পরমাত্মন! – আমরা আপনার কাছে এই প্রার্থনা করি (সূর্য্য-চন্দ্রসমৌ-ইব) যেভাবে সূর্য এবং চন্দ্রমা পরাস্পর এক অন্যের সাথে মিলিয়ে চলে এবং সৃষ্টির নির্মাণ ধারণ পালন পোষণাদি করে, আমরাও যেন এভাবে আশ্রম ব্যবস্থার মধ্যে থাকিয়া পরাস্পর সম্মিলিতভাবে উন্নতির (পন্থম্‌) পথকে অবলম্বন করিতে পারি এবং (পুন:) বার বার (সংগমেমহি) প্রত্যেক সংগঠনযুক্ত কাজে থাকিয়া (দদতা-জানতা-অঘ্নতা) দেওয়া নেওয়া আদি শুভকার্য্য করিয়া আজীবন (শ্‌ম) কল্যাণযুক্ত হইয়া থাকিতে পারি।

একই সুর। রূপে রসে রূপান্তরে কবিতা যাপন।।
চিহ্ন প্রয়োজনে হাঁতিয়ার হোক, একান্তকাম্য কখনই নয়।।

চর্যাপদ-৪২
কানু

শূন্যে পূর্ণ চিত্ত সহজে,
কাঁধ ভেঙে গেলে দুঃখ নেই;
কানু ম’রে গেছে, তোমরা কহ যে–
সে আছে ত্রিলোকে সবখানেই।
দৃশ্যলোপে যে বুক-দুরুদুরু,
ঢেউ কি কখনও শোষে সাগর?
দেখে না চক্ষু-বিহীন মূঢ়
দুধে-মিশে-থাকা দুধের সর।
আসে না যায় না কেউ এ-ঠাঁই,
এই বুঝে কানু আছে তোফাই।

একই একই।। নতুন আবিস্কার করেছি না বলে বিন্দুতে সিন্ধুতরঙ্গ মানাই বুদ্ধিমানের কাজ।

বিপুল তরঙ্গ রে...

এতক্ষণ যা বললাম তাতে নতুন কি? কিচ্ছু না। নতুন বলতেতো আসিনি। কাব্য ছেড়ে গদ্যে এসেছি কবিতা কে দেখাবো বলে। কবিতা এটা মেয়ের নাম হতে পারে। আমার লেখা কবিতায়:

*কবিতা ৩*

সময়ের খাপে তলোয়ার বন্দী করেছি।
এসো জনমে মরনে হাসির প্রহরিণী
মেনেছি ক্ষতি।  এগিয়ে ভাবি আলোর দিশা
জলকন্যা এসেছে কলমে
গুঞ্জরনে।।

নার্গিস পাতায় আলতা হাতের ছাপ
প্রমাণ। সংহার। ক্লান্তি। কবর
ঘুমিয়ে পরে কবিতার বিছানায়
তুমি কাঁদলে এ শহর থমকে দাঁড়ায়
অক্ষক্রীড়া ছেড়ে।

আলাপী ঠোঁটেঠোঁটে পিছন নেয় 
অলিগলি সিংহবাড়ি
অনেককাল শব্দিত এস্রাজের সুরে
ভেসে ওঠে শিশু কবিতা।

কবিতায় শব্দরা কাজল হয়ে যায়
তোমার চোখে আঁকবে বলে

এটাই বক্তব্য। কলমে রসের উতস্রোত না হলে তা গদ্য, তা সে যতই সাজিয়ে গুছিয়ে হোক বা চিহ্নভেদ হোক। ইমোশাম চাই গুরু, ফিলিংস চাই। কবিবাবু বলছেন আমার কবিতা বুঝতে উত্তম আবাদি ব্রেন চাই। আমার মত কিছু অতি উৎসুক বাচাল কিছু না বুঝেই বাঃ বাঃ করে উঠলাম। কেন করলাম? ক বাবুর কথা অনুযায়ী উত্তম সার মিশ্রিত জমির বিজ্ঞাপন দিতে? কেউ কেউ বলে বসলেন অন্যপ্রকার জীব না হলে কবিতা হয় না। কি আনন্দ।
spontaneous overflow of feelings   এ তত্ত্ব নিপাত যাক। আহা ভাবনার কি ছিরি!
ভাই কবিতা লেখা একজিনিষ, আর সেই লেখা প্রকাশ আর একজিনিষ। কবি কবিতা প্রকাশ করেন কেন? একটাই উত্তর পাঠকের জন্য।। নিজের জন্য লিখি বলে ধানাইপানাই না করে সত্যি বলাই ভালো। নিজের জন্য লিখলে নিজের ডাইরিতেই রাখুন না।

এবার আসি অন্য একটা কথায়। এখন ২০১৭ সাল। বেসিক্যালি মানুষ ব্যস্ত ভীষণ। সেই সকালে উঠে দৌড়ানো শুরু। বউয়ের মুখঝামটা, বরের তাড়াহুড়ো, বাচ্চার পড়াশুনা, কাজের জায়গায় সহস্র জটিলতা। টেনশন। দিনের শেষে বাড়ি ফিরে ফ্রেশ হয়ে এককাপ চা নিয়ে গরম চপে কামড়। সাথে কবিতার বই অথবা ল্যাপটপে ই-বুক বা ব্লগজিন। সামনে এলো এমন এক কবিতা যেন গোলকধাঁধা। সারাদিনের এত জটিলতার পর পাঠক আদেও বেছে নেবেন সেই নতুন জোটিলতাকে? কবি সারাদিন ধরে গুছিয়ে গুছিয়ে শ্রেষ্ঠ জটিলতাগুলোকে গুছিয়ে রেখেছেন কবিতার মোড়কে। পাঠকের জীবনেতিবৃত্ত জটিলতা, নতুন করে আবার? না বস, পাবলিক নেবে না। খিল্লি করবে।

বেসিকালি গল্পটা এখানেই। ওয়াটস আপ, ফেসবুকে কবিতা কারা পড়ছে। কবি বন্ধুরা। তারাই লিখছে তারাই পড়ছে  তারাই লাইক মারছে,কমেণ্ট করছে। সাধারন পাঠক কই?

কেউ কেউ বলছেন আগামী দিনে আমার লেখাটা থাকবে, এটাই বর্তমানের ভাষা। তাদের কাছে প্রশ্ন, তারা কি গ্রাসরুটের খোঁজ রাখেন। তাদের পাঠক কারা? সাধারন পাঠকের সাথে কতটা সম্পর্ক আছে? সন্দেহ।।
(ক্রমশ)

শাল‍্যদানী
চেয়ারম্যান, তরঙ্গ পরিবার

সোনালী মন্ডল আইচ



বিভাগ : কবিতা (সাধারণ বিভাগ)




অমর্ত্য

এলোকেশী রাতে খুঁজেছিলাম
নিজেকে পেলাম না
প্রেম অপ্রেমে নিরাকার

বিষাদ জড়ানো আশপাশ
ভাসিয়ে নিয়ে যায়
অবিন্যস্ত কচুরিপানা স্রোতে

কাঠখোট্টা হিসেব নামতায়
ভৈরোর ওষ্ঠপুট রোদেলা
ভিড় পথে পাশ

বিজাতীয় ব্যাখ্যা বাদ
সাপুড়ে বীণ ফনায়
উসকে দিক রাত

শিরদাঁড়া বেয়ে নামুক
নেক লেস বিপ্রকর্ষ
অশরীরী ছোঁয়াছুঁয়ি খেলা



কুঠার

অনেকগুলো প্রজন্ম পৃথিবীর হাতে
এখনও বৃক্ষ রোপন বাকি
বুড়ো সূর্যের তাপ বাড়ছে

ডাঙ্গায় বসে আর চাঁদ দেখোনা
বুশ লাদেন হিটলার পতঙ্গের নাম
হলে ইতিহাসে আমরা দাবানল

এখনও সময় আছে হাওয়া বদলাও
নীহারিকা নোভা গল্পে মশগুল হতে
বনবীথির ফুলফল কংক্রিট বন্দী

মুক্তির দাবি ভাঙাবে নবজাতকের ঘুম
আঙ্গুল তুলে বলবে বিজ্ঞানী
বিপর্যয়ের নক্সায় অসংখ্য কালিদাস ...



সোনালী মন্ডল আইচ
কোল




হঠাৎ চমক


। মেঘদূত।


সকাল থেকেই বৃষ্টি শুধু।
কোথায় নাকি নিম্নচাপ।
প্রেম পেয়েছে খুব আমারও।
বিরহে তাই মনখারাপ।

মনখারাপের মুখে আগুন।
মোবাইল আছে কি করতে?
কিছু চুমু ভাসিয়ে দিলাম।
পৌঁছে যাবে সে শর্তে।

পৌঁছালো কি মেঘমুলুকে?
ঝমঝমাচ্ছে চতুর্দিক।
তার মনও কি চাইছে আমায়?
হোয়াটসঅ্যাপে একটা টিক।

মন বলছে ফোন করে নে।
বৃষ্টি বলে করিস না।
অমন করে সবদিনে লোক।
আজকে ও পথ ধরিস না।

মেঘের কথায় দম আছে বেশ।
বৃষ্টি কি আর রোজ আসে?
তাকিয়ে আছি ফোনের দিকে।
দেখি কখন খোঁজ আসে।

টাপুর টুপুর, টাপুর টুপুর।
বৃষ্টি পড়ে অঝোরধার।
মেঘবালিকা খুঁজছে কাকে?
কোন প্রেমিকে নজর তার?

মেঘের নারী প্রগলভ।
এক প্রেমিকের স্বভাব নেই।
আমার নজর মুঠোফোনেই।
কিন্তু চুমুর জবাব নেই।

শুধুই কি আর বৃষ্টি নাকি?
সঙ্গে তো ঝড় বিদ্যুৎও।
এমন করেই ভিজতো যে মন,
আলতো হাতে যেই ছুঁতো।

এখন সে হাত অনেক দূরে।
ছোঁয়ার কোনো উপায় নেই।
অগত্যা প্রেম থমকে আছে,
মোবাইল নামক মেঘদূতেই।

কিন্তু এমন বৃষ্টি হলে,
তখন কি আর মন মানে?
হাওয়ায় চুমু দিই ভাসিয়ে,
তার দুটো ঠোঁট সন্ধানে।

ভাসিয়ে দিলাম নাহয় চুমু,
কিন্তু সে ঠোঁট নিচ্ছে কই?
হোয়াটসঅ্যাপের একটা টিকে,
শান্তি আমায় দিচ্ছে কই?

মেঘলা দিনের বৃষ্টিফোঁটা
আমার প্রেমের খবর দিক,
হঠাৎ করে মন ভাসালো,
নীলচে বরণ দুখান টিক।

জবাবীটাও জলদি এলো,
বৃষ্টি তারও মন জুড়ে,
বাকি কথা উহ্য থাকুক,
বাজলো বাঁশি কোন সুরে।


আর্যতীর্থ






ভালো থেকো ছোট্ট ছানা


 
 
 
 

💗💗💗💗💗💗💗💗💗💗

আঁকিবুঁকি


 
 


অনিন্তিকা সাহা

য়স : ৫ বছর ৯ মাস

প্রথম শ্রেণি

Podar World School, Nagpur

💗💗💗💗💗💗

তমোহী ভট্টাচার্য্য
তৃতীয় শ্রেনী
Assembly of God Church (Asansol)

💗💗💗💗💗💗💗💗


#আড়ি

তিন্নি আজ আড়ি করেছে
স্কুল যাবেনা কিছুতেই
যতই আমি বোঝাই কেন
চায়না সে বুঝতেই

আমি বলি রাগ কেন
হয়েছে কি বলবি?
ততই সে ফোলায় গাল
তুই কোথায় চললি

অনেক পরে বললো সে
আসলে হয়েছে কি
আমাদের আমগাছ এ
বাসা বেঁধেছে জোনাকি

দুটো আমায় দাওনা পেড়ে
প্লিজ দাদুভাই
দেখোনা মা কেমন
বকছে আমায় যাচ্ছেতাই

                           সৃজা রায়।
সৃজা রায়।
৭ বছর।
ক্লাস টু।
সেন্ট ফ্রান্সিস স্কুল।
❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️

*তারার দেশে*

একটা তারা,  দুটো তারা
তারার দেশে আজ
লক্ষ ফুলের বাগানেতে
কিসের এত সাজ?

তিনটে তারা,  চারটে তারা
তারার নাম শিশু
মেরিয়ামের কোলেও তারা
ছোট্ট সেই যীশু।

পাঁচটা তারা,  ছয়টা তারা
পথের পাশে ওরা
মায়ের কোলেও ঠাই হয়নি
একা জগৎ জোড়া।

সাতটা তারা, আটটা তারা
স্কুলের বাসে যায়
ব্যাগের ভার কাঁধের উপর
চলা বড় দায়

নয়টা তারা, দশটা তারা
তারা নরম পাতা
তরঙ্গে আজ বাজলো মাদল
শিশুর আঁকা খাতা।।

*শাল্যদানী*
💓💓💓💓💓💓💓💓💓💓💓💓💓
তরঙ্গ হাউসের পক্ষ থেকে ছোট্ট ছানাদের অফুরন্ত স্নেহ ও ভালোবাসা
🐒🐕🦍🐩🐕🐷🐼🐨🐇🐰🐐🐁🐦



Few recent activities (Department of Dance)



কোরিওগ্রাফি : ইন্দ্রনীল প্রামানিক








(আমাদের কোরিওগ্রাফার ইন্দ্রনীল প্রামানিকের বিভিন্ন কাজ)



Few recent activities (Department of Dance)






পার্থপ্রতীম দাস

Incharge, Department of Dance 
(Taranga House)



হঠাৎ চমক



*****আগুন খেলা *******

                  -- অশেষ কমল

আগুন টা ছড়িয়ে পড়ছে দ্রুত
এতদিন যারা পিঠ বাঁচিয়েছিল
তারাও বুঝে নিচ্ছে
এগিয়ে আসছে লকলকে শিখা ।

অজ্‍ঞাতে এগিয়ে দেওয়া কাষ্ঠ খন্ড  ‚ ঘৃত
আরও যা যা কিছু দহনশীল
তাকে করেছে আরও লেলীহান রক্তিম বর্ন

তবে কি ভুল হয়ে গেছে কোথাও!

তবে কি ভুল ছিল যাপিত  দর্শন!
প্রতিদিনের যা কিছু তুচ্ছতা
আর একটু বেশী পাওয়ার লোভ !

সরীসৃপের মতো কেবলই
স্‍বগৃহের অন্ধকার নিরাপত্তা !

অথবা কোন অজ্ঞাত ভয় !

আগুনটাকে ছড়িয়ে দিয়েছে দিগ্‍বিদিক

পুড়ে যাচ্ছে একটার পর একটা বাসা
ঝলসে যাচ্ছে রঙিন সব পালক
মাংস ও কচি ত্‍বক পোড়ার গন্ধে
গুলিয়ে উঠছে শরীর ।

শিহরণ জাগানো আর্তনাদ
ক্রমশ আসাড় করে দিচ্ছে সর্বাঙ্গ ।

আগুনটা ছড়িয়ে পড়ছে দ্রুত
সমাজে মনে চেতনায়
অথবা যা কিছু দহনশীল সর্বত্র ....



হঠাৎ চমক




অভিশপ্ত কবিতা


        রাজ



মাঝ রাতে ফাঁপা শরীরে 

নিকোটিন ধোঁয়া 

আর কিছু দিশেহারা  

শব্দ জাহাজের ভিড় 

অনুরোধ :  তোমার রাতে একটা 

অভিশপ্ত কবিতা হবো । 


উঠলো ঝড়

ডাকলো মৃত্যু 

দেখলাম মরীচিকা

তবু কবিতা হলো না। 


কর্পূরের নেশা করলাম কবরের  পানসে জলে 

যৌবনের আতুর মাখলাম

কালো মেয়ের স্তনে মৃত কোষ হোলাম

তবু কবিতা হলো না । 



হে কিন্নর হে কিন্নরী 

হে শূন্য , হে  ভিন্ন 

হে চিহ্ন , হে নিশ্চিহ্ন  তোমাতেই ৬৮ বছর ধরে

শব্দের  খোঁজ করলাম 

তোমাতেই জ্বর গায়ে 

ইতিহাস হোলাম

তবু ও কবিতা হলো না । 



জানি সময় খুব কম 

তবে যেটুকু সময় পেয়েছি 

সাহিত্যে থাকা কবিদের সাথেই

সহবাস করেছি 

কলঙ্কিত হয়েছি ,

অভিশপ্তও হয়েছি

কিন্তু কবি হতে পারিনি

একবারের জন্যেও নয় 

হাজার বারের জন্যেও নয় । ।




হঠাৎ চমক




আয়তকার রমণী


ঐন্দ্রিলা মহিন্তা


০১.
হিংলাজের মোজাইক শানবাক্সে 
দলাওঠা প্যালেস । কাসুন্দির বাতাসে 
    মঁ   মঁ  শ্বাস 
                     ডিসটেম্পার আঙুলে 
                   বটের ছাপ লেগে থাকে 

০২.
গলায় ঠাসা কঞ্চি 
এলোচুলে কালশিটে মাখে 
চেরিখুঁটে আঁকা ঠোঁটে : ইন্দ্রচমক 

জ্বলন্ত মেঘের কয়লায়
সরলরেখার পিথাগোরাস 

০৩.
কাঞ্চন স্লাইসের জমা খণ্ড 
ভূমধ্যসাগরের আপেল 

সাদা হাতে লোহার পাতার 
শূন্য তর্জনী 

টিমটিমে জমা ভ্রমর 
ছায়ার কাঠিন্য মাপে 






তোমার সমাধি ফুলে ফুলে ঢাকা / কে বলে আজ তুমি নাই.........




১-সহজিয়া চক্রব্যূহের প্রতিআক্রমণ
---------------------------------------------------------------
সময়টা ২০০৮।তখন কম্পিউটার জনপ্রিয় হতে শুরু করেছে।আমরা বিভিন্ন সফটওয়্যার নিয়ে ঘাটাঘাটি করছি।প্রায় দৈনন্দিন জীবনের অঙ্গ হয়ে উঠছে এই ডিজিটাল প্রযুক্তি।সরকারি চাকরি করি স্বাস্থ্য বিভাগে।পোস্টিং কোচবিহার।রাজনৈতিক সংগঠনের সাথে সম্পর্ক ছেদের পর লেখালিখি বহুবছর হলো বন্ধ।এমনই এক মুহূর্তে কিছু রুমমেটের অতি উৎসাহ ও প্রশ্রয়ে আবার শুরু হলো কবিতা লেখা।তখন শক্তি চট্টোপাধ্যায় পড়লে কাদি, সুনীল গাঙ্গুলীর কাছে নীরার পাঠশালা, জীবনানন্দ বাড়াচ্ছেন বোধ, শঙ্খ ঘোষ বা সমর সেন প্রভৃতি সকলেরই কাছে বাড়াচ্ছি অনুভূতি।অথচো, কেন জানি না নিজেই উপলব্ধি করছি কি যেন হচ্ছে না।যে ভাষায় নিজের আগ্রাসন চারিয়ে দিতে চাই তা কোথায় পাবো।
হাতে দ্বিতীয় বারের মতো চলে এলো বেশ কয়েকটি বই, অনলাইন ও প্রিন্টেড ছোটো পত্রিকা।যেমন, কবিতা পাক্ষিক থেকে পোস্টমডার্ন ৩০০ কবিতার সঙ্কলন, অনলাইন কৌরব, কালিমাটি, আই দুয়েন্দে ইত্যাদি।আর তখনই পরিচয় বারীন ঘোষাল নামটির সাথে।সেটা যে পরবর্তীতে কখন নিজের অজান্তে বারীনদা হয়ে গেলো বুঝি না আজও।অথচ, বিশ্বাস করুণ ব্যক্তিগত পরিচিতি কখনো ছিলো না।
কমলালেবুর বাগানে হাসিস ঝরে পড়ছে : স্রেফ এই একটা লাইন ভিতরটা ভাঙচুরের ক্ষেত্রে যথেষ্ট ছিলো।একেএকে হাসিস্ তরণী, সৎকার ইত্যাদি একের পর এক।এই শেষ কলকাতা বইমেলাতেও দেখলাম।হাতে নিয়ে বাড়ি ফিরলাম আলেকজান্ডার ও খালকো (প্রকাশনা ঐহিক)।ভেবেছিলাম এই তো মানুষটা, যাই না দুদন্ড কথা বলে জিরিয়ে আসি।কিন্তু না।আদরের বোহেমিয়ানপনা হয়তো কবির জন্মসিদ্ধ অধিকার।আজ সে বারীন - ল্যান্ডের অতিচেতনায় ঢুকে পড়েছে সশরীরে প্রত্যক্ষভাবে।আজ সে দেখতে পাচ্ছে মহাজাগতিক তেজস্ক্রিয় প্রসব।আজ সে বলতেই পারে কবিতায় ভিলেনরাই পারে সুখী গয়নাকে তছনছ করতে।আমরা চিরকালই এক দর্শক বেলুনের ভূমিকায়।অন্ততপক্ষে এটুকু কো-রিলেশনের জন্য অপেক্ষা করাই যায়

কয়েকটা লাইন একটু অযাচিত হয়েই আসুক।অন্ততঃ ইচ্ছে করছে


পর্যায়ক্রমে যেকোনো ১টি কবিতায়
----------------------------------------------------------------
নাভির ভিতর রয়েছে প্লুটোনিয়াম খনিজ

আমরা।এই মুহূর্ত থেকে স্রেফ হিসেবী আড়াল

নিসপিসে হাত : ছুয়ে দেওয়া ম্যাজিকে আবারও

পোড়া ব্লাউজের তলায় গরম চামড়া।ক্ষতি নেই

রক্ত মাংস মজ্জার অনুচক্রিকা সংরক্ষিত

ভাবছি : শেষরাতের ভিসুভিয়াস ও আদিম সঙ্গম

আদপে এসব চলমান মেটারনিটিক ফ্রেম

শাদাকালো হ্যালোজেন থেকে হোক শুরুবাদ

কিংবা : বর্ষার ব্যবচ্ছেদ।নাড়িতে শুকোচ্ছে চুনজল

হিমঘরের প্রতিআক্রমন : ক্রমশঃ নগ্নতাটুকু চুষেচুষে



শ্রদ্ধাযাপনে তরঙ্গ পরিবার
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏





হঠাৎ চমক


অমীমাংসিত


কিছু আহ্লাদ ছাড়পত্র পেলে
বাতাস বাজাতে থাকে হুইসেল
ঊষর মরুতে সবুজ বনানী
বায়োপিক এঁকে চলেছে শিল্পী
দেয়াল চিত্রগুলো সব পুরোনো
আইকন বন্দী আর কতদিন ?

ভাঙ ভাঙ ভাঙ কারা

আমার অনুভব এখন উল্টো
পাহাড়ি প্রপাতটা খুব চেনা
কল্পরাজ্যে নয় বাস্তব ছুঁয়ে
বাতাস জুড়ে কেবল গোপনীয়তা

ঝিঁঝিঁ আর রাত চুমুর

ব্যারিকেড বেঁধে মিছিল ককটেল
জিন এর তাড়নায় দাবায়
শকুনির নিত্য বেপরোয়া বাজি
তোমার আমার সংহতি বলে

গঙ্গা তেরি ম্যায়লি হ্যায়

টলতে টলতে হেঁটে যায়
জনমত জনপথ কাগজে কলমে
সবার বুকেই একটা নদী
সাঁতার শিখছি পুঁজিবাদীর সুইমিংপুলে..

©Sonali Mandal Aich


হঠাৎ চমক



কবিদের বর

     রাজ     

ভাঙা কাঁচে জমে থাকা বাস্পে
মোমদেহের জলপ্রপাত 
অজান্তেই  ছোঁয়াছুয়ি
স্তব্ধমিছিল ও এিকোন শব্দের
একটিই  সরল রেখা। 

শূন্যতে তুমি 
শূন্যতে কবিতা, শূন্যতে শেষ
আর শূন্যতেই আমার সহবাস। 

জলন্ত দাবানলে একটিই চাঁদ 
যে চাঁদে একমাএ তুমিই কলঙ্ক । 

জানি তোমার ছোঁয়াই O2
আজ  CO2 হয়
জানি তোমার ছোঁয়াই
ইতিহাসে আজও সন্ধ্যে নামে
জানি তোমার ছোঁয়াই
কবিরা আজ নিজেকে  
শাহজাহান ভাবে। 

কখন যে ফুসফুসে প্রেম জমে
 কখন যে একটু ছোঁয়াই জ্বর আসে
আর কখন যে ফাঁপা শরীরে 
 শব্দরা জোর খাটাই
সে কথা কবিদের  বর 
   কবিতাও জানে না । ।




হঠাৎ চমক



মুন্ডমালা
মহাদেব নাথ


অন্ধকার মুছে ফেলো নিশা
তপ্ত শরীরের হিমালয় থেকে ঝরে পড়ুক
থোকা থোকা কাদা

এসো মেঘা এই অন্ধকারের শপথে
প্রদীপের ভেজা বাদামের পতাকা তুলি

ভেঙে ফেলি মগডালের বিপ্লব খিস্তিখেউড়
ডুবিয়ে ফেলি হার্দিক ছাতার ক্লোজাপ

নেবুলার ভিতর এঁকে ফেলি
আমাদের বাতাবি লেবুর কচি ঘাস
ভালবাসার এই কাঙালিপনায় ধুয়ে যাক
give এন্ড take পলিসি

মেঘা এই চন্দ্রালু প্রেমের কাঁসর বাজছে
শঙ্খ বাজছে…
এখন শুধু পায়রা উড়ার পালা

তারপর শুধু তুমি আর তুমি
ভেঙে যাক দরজার আভিজ্যাত মুন্ডমাল




'এখন তরঙ্গ' অষ্টম সংখ‍্যার জন্য লেখা আহ্বান


লেখা পাঠান
আগামী ০৫/১১/২০১৭ তারিখের মধ্যে

মেল বডিতে টাইপ করে
বা doc ফাইলে।
লেখার সাথে এক কপি ছবি
এবং পরিচিতি পাঠাবেন।

বিষয়সমূহ :

১। কবিতা
  • সাধারণ বিভাগ (যে কবিতাটি আপনি ছাড়া বাকি সবাই বলে কোবিতা, সেটিও নির্দ্বিধায় পাঠাতে পারেন)
  • কবিতার ল‍্যাব (বাজুক রুদ্র সংগীত উচ্চ তানে)

২।গল্প (অণু/ছোট/বড়)
৩। মুক্ত গদ‍্য
৪। প্রবন্ধ
৫। বই/পত্রিকা/সিনেমা আলোচনা
৬। ভ্রমণ


# উল্লিখিত সময়ের পরে জমা হওয়া কোনো লেখা গৃহীত হবে না এবং একমাত্র মেল আইডি তে পাঠানো লেখাই গৃহীত হবে।

(ব‍্যতিক্রম সম্ভব একমাত্র বিশেষ ভাবে আমন্ত্রিত লেখার ক্ষেত্রে)