এখন তরঙ্গ তে লেখা পাঠান প্রতিমাসের ৫ থেকে ২০ তারিখ অবধি

বিশ্বরূপ বিশ্বাস


কবিতা : সাধারণ বিভাগ



।।খলিফার লাভা। ১টি লেখোনী।। 

অসাধারণ দেয়ালে অসাধারণ ফুটো। নিজের সক্রেটিস অটোগ্রাফে
চালু। বিপ্লব খাড়া হ'লো নাকি সাংঘাতিক ঢালু। নাকি শুধু-ই আলুথালু।
তা বুঝেসুঝে কার্যতে অপরাগ খলিফার লাভা। মাংসের তালু।

ফতোয়ার লোকেরা উটের পিঠে চ'লেছে। আমি কি চললুম সেথা কামদুঘা
ফতোয়া নিয়ে। নিজেকে জারি ক'রে জাতীয় খাঁড়ি পার হই। পারাপার হই।
গার্হস্থ্য সংসারে গ্রাম্যচেয়ারম্যান ডেকে পাঠায় আমায়।

আমার কি আমি আছে। আমার কি তুমি আছে। সদরের অন্দরে আমার কি
আছে চেরাগ। আমার কি আছে করোটিকা। ঠোকাঠুকি নিয়ে তার প্রমাণ
পাই না। চোখাচুখি নিয়ে তাই চুমে যাই বুক। পোয়াতির ঠোঁট।

যাবতীয় ছলকানো আর১টা চোষায় শেষ। নিজের জলযন্ত্র পল পল। অনুপল।
ছল করে না। যে হাঁয়ে আগুলি এলো সে হাঁয়ে আদরো এলো। গ্লাসের সরবৎ
পেয়ে গ্যালো। পরোয়াহীন চুমুক।

সারারাতের কণ্ঠস্বর কবোষ্ণ গানেগানে ধুলাকীর্ণ। নিজের আত্মঘাতী টানে টব।
টানে টপ পিস্তলের ট্রিগার। কতটা চৌকি পেলে লাশ শুতে পারবে। কতটা চৌচির
হ'লে হালকা হবে লাশ। তা মরবার আগে দেখে নাও। সম্পূর্ণ ওজন ক'রে।

কুকুরের দাঁতে দাঁতে পুলকের ভার। নিজের মুখের হাড় বুকের হাড় খুলে দিই
খাবারের থালে। যে গালে চুমো খায় সে গালে খাবারো খায় মানুষ। প্রেমের
দিওয়ানা তাই প্রতারক ঠোঁট। অস্ত্রেকাটা জিভ।

মরালের শুভ্রতা ম'নে রাখে কি মরাল। আমার দিনের শেষে আমার খাটে
চ'ড়ি আমি। আমার চেয়ারে ব'সি আমি। আমার খাটের পায়া পা বেঁধে
রাখে। আমার বসার চেয়ার বসা ম'নে রাখে। ভুলে যায় না।।



।।শিতিকন্ঠ লিখু।।১টি লেখোনী।।

জলের অন্তরঙ্গ বুদ্বুদে মুক্তা। পাথর। বাদামী নৌকা। আমি সুগন্ধ। আগুন নীল মদে ঢাললাম। জল শেষ। ঝিলমিল প্রস্থান। টেরিকাটা চাঁদে ফাঁকির কৌশল। ঢেউ গুণে গুণে স্মরণীয় মরণ। মরক। অনন্ত জল। খারিজ করলাম বদনাম। মৃতনারী অবলা। বর্ষাফল খায়। আমি বিশ্বাস করিনা অনুভব যে না দিতে পারে তাকে রাখা কোথায় যাবে প্রেমের শুদ্ধতম পাহাড়ে।যদিও রমণী-রমণ লাস্যময়ী সালংকারী সুড়সুড়ি দিয়ে হয়রান পংক্তিতে তাই আরোগ্যলাভ সংশোধন চায় সাহংকারী হ'য়ে। আমি রাখবো কি তার মরাপ্রলাপ নাকি যাবো বয়ে সেই ভাবে শিপ্রানদীর কিনারে শিতিকন্ঠ লিখু নিয়ে একাকী। তবে হ্যাঁ আরো প্রতিবাদ হোক তাই দেখি মালপত্র ঝেরেমুছে তারপর না হয় ক'রে দেবো সাফসাফাই। লঘুমুহূর্তের ভার কমাবো নারী যদি তোমাকে কাছে পাই।।

বিশ্বরূপ বিশ্বাস

নীপবীথি ভৌমিক


কবিতা : সাধারণ কবিতা



ফুলটস

দৃশ্যপট জুড়ে সবুজ মাঠ। লক্ষ্য ভেজে
সংখ্যার পাহাড়ে,
তুমি কি মৃত্যু গোণো এভাবেই ?


সহজ রাস্তা, অথচ কেন যে হঠাৎ লক্ষ্যভেদ !
মাঝে মাঝে ফুলটস বল ও যে ধোঁকা দিয়ে যায়।


আর ক্যাচ লুফে নেয় চিত্রগুপ্ত, তার লাল খাতার পাতায়।





তবুও লিখে যাই---

অক্ষর ছুঁয়ে কখনো বিষাদ মাড়োয়া, কখনও বা ঢেউ ভাঙা ভাটিয়ার


আমার সমস্ত শব্দ খাতা যখন দ্যাখে পাঠকের ভালোবাসা, হয়ত তখনই কলম ছুঁয়ে লেখা হয়   সম্পাদকীয় অভিমান !


---তবুও এ জাগা আমার। জেগে থাকি মুক্তকলমে


জয়ী হোক আর নাই বা হোক অক্ষেরর মাঝে ‌শব্দের অভিযান ।


অন্তরা চ্যাটার্জী


কবিতা : সাধারণ বিভাগ



মরীচিকা

চোখের সামনে একটা মুক্তির মরীচিকা।
কাছে যাই, শুধুই পালায়।
জ্যোৎস্না আকাশের চাঁদটা জানে
কতগুলো রাত জেগেছি,
শেষ হেমন্তের বুড়ো সবুজ পাতা দেখেছে
অপেক্ষা করতে করতে নীল ধোঁয়া
কেমন আঁচড় কেটেছে।
পাথরের দুয়ার চেয়েছি ভাঙতে,
কিন্তু অন্ধকারে অমাবস্যা হয়ে মুখ ঢেকেছে রাস্তা।
অবশেষে  বিষন্নতার জঙ্গলে পথ হারিয়ে,
দুহাতে দুমুঠো হতাশা নিয়ে
এখনো সেই মরীচিকার খোঁজে—
রাস্তায় আমি।


শেষের খোঁজে

নিশ্চূপ হয়ে দেখে যাই প্রতিদিন—
মিথ্যের মিছিল।
মিথ্যের ভয়ে সত্যেরা গলা দাবিয়ে রাখে,
শুধু খসখসে গলায় শোনা যায়—
শেষ কোথায়?
উন্নত সভ্যতা— পাশবিকতার পাহাড়  চারদিকে,
একাকী কাক বিবর্তিত আঘাতে অবাক চায়,
ক্লান্ত দুপুরের হলদে স্নান লজ্জায় রাঙা হয়।
অন্ধকারে মুখ লুকোয় নক্ষত্র —
আর বইয়ের পাতার লুকোনো অক্ষর
জানতে চায় তার সত্যতা।
এক বুক ঢেউ নিয়ে সমুদ্র প্রশ্ন করে—
আর কতদিন?


গোধূলিবেলায়

আবেগের নদী আজ নিশ্চল
ইচ্ছেরা ক্লান্ত হয়ে দিয়েছে পাড়ি বহুদূরে—
এ মনের সমুদ্রে ঢেউ আর আসেনা,
মুখ ফিরিয়েছে ছোটো ছোটো ভাবনার পাখিগুলো,
ফিরে গেছে তারা নিজের বাসায়,
—ক্লান্ত তুমি, ক্লান্ত আমি।
স্বপ্নগুলো আজ মিথ্যে,
বাস্তবের শিকড় ছুঁতে পারেনি ওগুলো!
অন্যের ঘাম মাখো তুমি আজ,
নিজেকে আড়াল করো অন্যের চুলের পর্দায়।
অন্যের মনের বাসায় তুমি আজ সুখী বোধ হয়!

আজ এত পথ একা হেঁটে
বাঁকানো নদীর ধারে,
যদি কখনো ধুলোময় ফাঁকা রাস্তায়
পড়ন্ত বিকেলের গোধূলিবেলায়,
ক্ষণিকের জন্য আবার যদি সময় থমকে দাঁড়ায়,
দেখে নিতে চায় আমাদের অতীতের সোনালি পাতাগুলো,
মুখোমুখি যদি দেখা হয় আবার দুজনার—
মুহূর্তের জন্য থমকে  দাঁড়িয়ে ,
তুমি কি বলবে আবার?
—‘ এখনো ভালোবাসি তোমায়! ’

অন্তরা চ্যাটার্জী
বর্তমানে কাজী নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলা বিভাগে স্নাতকোত্তর পাঠরতা।সাহিত্যের প্রতি অনুরাগ আর কবিতার প্রতি ভালোবাসা থেকেই কবিতা লেখা।

অঙ্কিতা চ্যাটার্জী


ছড়া


কবিতারা

কবিতারা ডানা মেলে উড়ে যায় বহুদূর,
তারা জানে সব কথা —
লুকানো মনের ব্যথা,
খবর রাখে তারা যত গোপন অন্তঃপুর।

তারা বাসা বাঁধে  ওই সুদূর ঠিকানায়,
ডাকে আকাশ—
মেখে নেয় বাতাস,
তারা চলে যায় দূরের ওই সীমানায়।

কখনো পড়ে দেখো সময় করে ,
মিশে থাকা জীবনছবি—
সৃষ্টি  করেন কবি,
হৃৎপিন্ডে আবদ্ধ প্রানটার পরে।

যদি বলি কবিতা শুধুই আমার,
তারা কথা বলে—
নিজের পথে চলে,
জানি ক্ষনপরে তুমি বলবেই কবিতা শুধু তোমার।


অঙ্কিতা চ্যাটার্জী। 

শ্রেণী — দশম।
বিদ্যালয় — উষাগ্রাম বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়।

অনিন্দ্য রায়


প্রবন্ধ



-------------
                অঙ্ক √কবিতা
                      উপবিভাগ
                --------------------------
                ------------------

Kazmier Maslanka অঙ্ককবিতাকে ভাগ করেছেন পাঁচ ভাগে।
 Mathematics poetry বা অঙ্ককবিতাঃ এখানে শব্দ দিয়ে রচিত কবিতা যেখানে বিষয়ে বা ভাবনায় অঙ্কের প্রভাব ।
অঙ্কতে ভাসা ভাসা জ্ঞান আছে আমার – যদিও
অঙ্কতে শূন্য পেয়েছি বহুবার
এখন কেউ যদি আমাকে প্রশ্ন করেন ( a+b)2 =কী ?
আমি দেখাব
বিদ্যাসাগর সেতুর দু-পাশে দাঁড়িয়ে থাকা দুটি খুঁটি
অর্থাৎ গঙ্গার পশ্চিমের খুঁটিটিকে যদি আমি a2 ভাবি
অবশ্যই পূর্বপারের খুঁটিটিকে ভাবতে হবে b2
মাঝখানে যুক্ত হবে এক স্রোতস্বিনী নদী এবং
তার ওপরের ঝুলন্ত ব্রিজটি হবে 2ab  ।

সুতরাং
(a+b)2= a2+2ab+b2=বিদ্যাসাগর সেতু।
ঠিক সেরকমভাবেই আমাকে যদি কেউ আবার প্রশ্ন করেন
(a-b)2= কী?
আমি দেখাব অনতিদূরে দাঁড়িয়ে থাকা রবীন্দ্রসেতুর সেই খুঁটি দুটি,
বিশ্লেষণ যাবতীয় এখানে একই।
শুধুমাত্র তফাৎ ফর্মুলা মাইনাস্‌ এবং এর উত্তর আরো সহজ
রবীন্দ্রসেতু বয়সে বৃদ্ধ, অপরিসীম ক্লান্ত সে, তাই প্রশ্ন আসে

কতদিন বয়ে যাব এই চঞ্চল সেতু এভাবে?
কিছু মানুষ – কিছু যান-জট
যদি তুলে আনা হয় সেখান থেকে,
এই পুরোনো সেতু নিশ্চয় কিছুটা হাঁপ ছেড়ে বাঁচবে
সুতরাং
(a-b)2= a2-2ab+b2=বিদ্যাসাগর সেতু।

আজ বুঝি
কেন আমি অঙ্কে শূন্য পেয়েছিলাম বহুবার…..
     ( কেন আমি অঙ্কে শূন্য পেয়েছিলাম /পিনাকীরঞ্জন সামন্ত)

আমি জানি ১+১=১
আর আমাকেই গুনতে হবে কটা ফল আছে

গেল দু'বছর একটাও ফলেনি,এবার ফলের ভারে নুয়ে পড়েছে
আমাদের গাছ।যেমন তেমন গাছ নয় পেয়ারার গাছ

পেয়ারাইতো প্রেম,প্রথম প্রেম
ডাঁশা-পাকার তফাৎ জেনেছি।আহ্লাদ জেনেছি।সেই বলছে,
ফল গুনতে না পারলে,পাতা গুনে দাও।কটা পাতা হলুদ হয়েছে,
বলতে হবে এও

আমি জানি ১+১=০
(পেয়ারা পিরিত/নির্মল হালদার)


 Mathematical visual poetry বা গাণিতিক দৃশ্য কবিতাঃ এই কবিতায় শব্দ এবং/ অথবা ছবির ওপর দৃশ্যগতভাবে গানিতিক চিহ্ন এমনভাবে ব্যবহার করা হয় যাতে কবিতাটি ব্যক্ত হয়।
 Karl Kempton-এর রচনায় আমরা এরকম কাজ দেখি


(Mathematical Zen Poems / Karl Kempton)
a=স্বপ্ন
    b= লড়াই
    c=অবরোধ
    a+b  > c
    ত্রিভুজের দুটি বাহুর যোগফল তৃতীয় বাহুর চেয়ে বড়।
(ত্রিভুজ / বিপ্লব গঙ্গোপাধ্যায় )

Equational poetry , সমীকরণ  কবিতা  আমরা তাকেই বলবো , যখন একটি কবিতা লেখা হবে  সমীকরণের আকারে ।  সমান চিহ্নের দু পাশে রাশিগুলিকে এমন ভাবে সাজানো যেন দু পাশের সাম্য /সমতা থাকে তাকেই যদিও সমীকরণ বলে , তবুও মাঝের চিহ্নটি হতে পারে=, > . < , ,বা সমানুপাতিক বা অন্য যে কোনো কিছু  যা দুপাশের মধ্যে সম্পর্ক সিগনিফাই করবে। এবং সংখ্যা, অক্ষর , শব্দ , বা বাক্য / বাক্যাংশ দু পাশে বসিয়ে রচিত হবে সমীকরণটি।


( mathemaku No. 6a/ Bob Grumman)

Visual mathematical  poetry বা দৃশ্য  গাণিতিক কবিতাঃ এখনে একটি দৃশ্যকবিতার বিষয় হল গণিত । শব্দ ব্যবহৃত হবে না, হলেও তা ন্যূনতম।


(Connie Tettenborn)
Pure maths poetry  : কোনো শব্দই ব্যবহৃত হবে না, সংখ্যা ও গণিতের চিহ্ন দিয়ে রচিত হবে কবিতাটি। number poetry এই ধরণের কবিতা।  Kazmier ম্যাজিক স্কোয়ারকেও এই জাতীয় কবিতা বলেছেন।   
শুধুমাত্র সংখ্যা দিয়ে কবিতা লেখা কি সম্ভব? ছন্দ, মিল দিয়ে? ধরা যাক একটা লিমেরিক, সম্ভব?
1,264,853,971.2758463
এইটা? হ্যাঁ, একটা লিমেরিক, নিয়ম মেনে, ঠিকঠাক।
লিখেছেন Leigh Mercer।
আসুন, পড়া যাক...
1,264,853,971.2758463
আসুন উচ্চারণ করে পড়ি
One thousand two hundred and sixty-
Four million eight hundred and fifty-
Three thousand nine hun-
Dred and seventy-one
Point two seven five eight four six three.
তো, এই হল Number limerick ।

অনিন্দ্য রায়
জন্ম: ২৮শে জানুয়ারি ১৯৭১,
বাঁকুড়া
লেখালেখি শুরু : নব্বইয়ের দশক
প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ : তিরিশে ফেব্রুয়ারি
স্পার্ক অ্যাভেনিউ
কাগজের হারপুন
এক পঙ্‌ক্তির অনিন্দ্য রায়
সম্পাদনা : কবিতাডিহি

সুদীপ গুপ্ত


কবিতা : সাধারণ বিভাগ



ল‍্যাবরেটারি

শরীর শামুক
           মাকড়সা উঠছে বেয়ে
স্মৃতি গাইড
         মধ‍্যরাতে
শব্দ প্রহরী
  
   একা গোলকিপার
সামান্য ভুলচুক

দেওয়ালে ঠিকলো পিঠ

লুকিয়ে রাখছো কান্না বাড়ি

হলুদ গম

দ্রাবিড় মেঘ

জীর্ণ প্রবাল দ্বীপ



কিন্তু 

জল গায়ে উঠে এলে
      তোমার এপ্রিল চাই

অথচ নিশুতি রাত শোকে মূহ‍্যমান

বসে পড়ি রেওয়াজে
      সাবেকি বন্দিশ
বিষ্ণুপুর ঘরানা

সুদীপ গুপ্ত
আমার জন্ম ও বড় হওয়া বাঁকুড়ায় ।
পেশায় গণিতের শিক্ষক ।
কবিতা ভালোবাসি ।
প্রিয় কবি সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়, ভাস্কর চক্রবর্তী, জয় গোস্বামী, সুবোধ সরকার। ভালো লাগে উজ্জ্বল চন্দ্র, অনিন্দ্য রায়, ভজন দত্ত, মনোজ  দে, সুদীপ চট্টোপাধ্যায়, সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়, বিশ্বজিৎ লায়েক, শমিক শান্নিগ্রাহি, মন‍্যুদেব দত্ত, রণদেব দাশগুপ্ত, সুজন ভট্টাচার্য , গৌতম কুমার গুপ্ত , বিপ্লব গঙ্গোপাধ্যায় প্রমুখের লেখা । কবিতা কাকে বলে জানিনা , তবু লেখার চেষ্টা করি ।যা লিখি তা কবিতা কিনা জানিনা ।
কবিতা পাক্ষিক ,বনতলি , কবি কার্ণিকা ,রুখুডি ,কৃষ্টি সহ বেশকিছু পত্রিকায় আমার লেখা প্রকাশিত হয়েছে ।

দেবাশিস রায় চৌধুরী


কবিতা : সাধারণ বিভাগ


চতুর দশপদী

কথোপকথন স্বর অবরুদ্ধ ছিল
মিছিলও থেকেছে শব্দহীন মৌন।

গৌণ আলাপন।মুখ্য হয়ে ওঠে সভা
অথবা সভামুখ্য যে জন।ভাষ্য তার
বশ্যতার নির্দেশিকা-জারি সমতুল।

অনুকুল সুপবনে ভেবেছে যাহারা
পাহারাবিহীন কেউকেটা হবে সব।

উৎসব সমাপ্ত ময়দানের মতো
বিক্ষত তাহারা ঘাস হয়ে রয়ে যাবে।

স্বভাবে তপস্বী বিড়াল সৌহার্দ্য ফেরাবে !


দেবাশিস রায়চৌধুরী