এখন তরঙ্গ তে লেখা পাঠান প্রতিমাসের ৫ থেকে ২০ তারিখ অবধি

মুরারি সিংহ


কবিতা : সাধারণ বিভাগ


চলো-চলো

সেল-বায়োলজির অগ্নিকোণে
বাদামি হাসির সঙ্গে চোখাচোখি হল

একটা বিকশিত সমারোহ
একটা হনহন একটা চইচই  
চলো চলো জগৎ-জন
দিঘির ধারে মহুয়াতলায়

কেউ হাত ধরে টানে
কেউ চড়ুইভাতি বনভোজনে
সকাল-দুপুর-সন্ধ্যা

কী যেন এক ঢেউ-ছলছল অঙ্ক
একটা ঝিকিমিকি একটা কলকলানি

চলো চলো জগৎ-জন
চোখের সীমার বাইরে
এক সহস্রার নাচ
এক উঁচু-পাহাড়ের খিদের কথা
ছায়া ও আঁধারের অপ্রতিষ্ঠার কথা
ডাগোর-মুখে অচেনা নাকচাবির কথা

চলো চলো জগৎ-জন
পোশাক ছেড়ে বেরিয়ে আসা
                        যোনি-স্তন-জঙ্ঘা
           নখ থেকে চুল পর্যন্ত
    মানব-সন্তান
চলো

মাটির মুখোমুখি দাঁড়িয়ে
আলিঙ্গনের খুব কাছে

একটা চোরাস্রোত একটা নিশিডাক


মুরারি সিংহ
কবি ও গদ‍্যকার

*****

সুবল দত্ত


কবিতা : সাধারণ বিভাগ



বয়েস কাল                                       

পাখপাখালী ডাকল আমার চোখে পড়ল রো
সুরকি বিকেল খিড়কি খুলে এলেই যখন গো
চালতা শিকড় চিরে ফাল
কাটুম কুটুম লালে লাল
কাঠের রাজা কেঁদে ভাসায় ফিরে যেওনা
বয়েস হলো আবার কি
সবুজ বনের উকুনটি
ভুল বুঝেছে কালো শিরায় আঙুল রেখোনা



স্বেচ্ছাচার

দেখো দেখো এই যে আমার ভিতরে এই এখানে
হৃদয়ের গভীরে আহ আরাম
এইখানে তমোনীল নেই নির্জলা মদ নেই সাবধানতাও নেই
হাঁ আ আ একটু ভুল করেছি ই ই এই লজ্জা ভাব
কিন্তু কিন্তু কিন্তু সুখী সাবধান !
দেখ দেখ লুকোছাপা ঝোপেঝাড়ে এন্তার মদ
তরল অন্তর্ধুমে উপচে পড়ছে সম্পুর্ণ পৃথিবী         
আর এখানেও বিগলিত রবীন্দ্রসঙ্গীতে
হৃদয় থেকে তলপেটে নেমে যায় ক্ষমা
দেমাকের উষ্ণতায় গাছ পাথর হাসে  
আর তুমি? তুমিও আকাশ হয়েছ ভবিষ্যত্‍?
তবে মুখ আগ্রাসী হাঁ কুকুরদাঁত খুলে
নরম নরম মনোরম পেশাদার সুখী 

সুবল দত্ত
সত্তর দশকের কবি।
সম্পাদনা- সত্তর দশকে চাইবাসা থেকে- ‘উইঢিবি’
ধানবাদ থেকে -‘বিটুমিনাস’ ‘অশ্বমেধ’, বোকারো থেকে -‘ঘুণপোকা’
কবিতার বই- মুখোশের চোখের ছেঁদায় দাহ্য পৃথিবী
গল্প সংকলন- প্ল্যাগিয়ারিস্ট, প্রদাহবোধ-১১
প্রবন্ধ- নিঃসঙ্গতা তার
অনুবাদ-কাব্যগীতা

*****

অসীম সরকার


কবিতা : সাধারণ বিভাগ



দোল

দোলের দোলায়
মনটা ভোলায়
ছেলে মেয়ে থেকে ধাড়ি
পথের দুধারে
পিচকিরি হাতে
ছুটো ছুটি বাড়াবাড়ি।

ঘরের ভেতরে
সাড়া না দিলেও
হাঁকা হাঁকি ডাকা ডাকি
রঙের বাহারে
চুল কিম্ভুত!
মাথা যত ঢেকে রাখি।

কেউ ধরা দেয়
কেউ বা লুকায়
আমি যে দারুণ দুখী
সুযোগ পাইনি
আলতো ছোঁয়ার
অপলক চোখা চোখি !

বুক ধড়ফড়
হৃদ কম্পন
কাছাকাছিতে যাওয়া...
আজও হোলনা
আবির মাখাতে
নিবিড় করে পাওয়া।



******

শুভাশিস দাশ


কবিতা : সাধারণ বিভাগ


তৈরি হও

বুক বেঁধে ঝাঁপ দিয়েই দেখো না
জয় তোমার নাগালে অযথা
আধমরা হয়ে বেঁচে থাকার মানে নেই l
দেখো না  আমাদের কেমন ছেনালি যাপন
নুনের জোগাড় না করে পলান্নের খোঁজ l
বিশ্বাস ভেঙে ভেঙে যেতে হবে
এখন আর সাথে নেই যুধিষ্ঠির সেন
পাগল মনে করে ফিরিয়ে দিয়ে কতদিন
এই বৈভব লুটে নেবে ?
শুভাশিস দাশ
জন্ম ১৯৫৯ সালে অবিভক্ত বাংলার গাইবান্ধায় l
বর্তমান নিবাস :দিনহাটা ,কোচবিহার l
চল্লিশ বছর সাহিত্য সাধনা l
প্রকাশিত বই দশটি l
দুই বাংলার লিটিল ম্যাগ এবং এপার বাংলার দৈনিক পত্রপত্রিকায় কবিতা ,গল্প ছড়া লিখছি নিয়মিত l
মো :9932966949

******

তৈমুর খান


কবিতা : সাধারণ বিভাগ



উদ্দেশ্যগুলি



উদ্দেশ্যগুলি ঝাঁঝিয়ে উঠল
ঘোরতর এক শুয়োর পুষছি
ওকে পোশাক পরাচ্ছি
জন্মদিনের বেলুনে ফুঁ দিচ্ছি
ঝিকিমিকি রোদে ওকে কামান নিয়ে যুদ্ধে পাঠাচ্ছি


সান্ধ্যক্রিয়া

আমাদের ঘরে সন্ধ্যা নামছে
হাতপাখা বিশ্রাম নিচ্ছে বিছানায়
জলের ঘটি চেঁচাচ্ছে খালিপেটে
দুয়ার খুলে বাদুড় এলো
মন চুষে চুষে খাবে



দোলায়মান


দাঁড়িপাল্লায় যা ওজন হচ্ছে
তা আমাদের সহনশীল আত্মা
রাতের নোনতা বাতাসে
মাছ হয়ে ফিরছে
এখন সময়ের সন্দিগ্ধ জালে
দুলছে




শকুনি সংকেত


পড়ন্ত আলোর বাজারে কাদের চকচকে হাত
চাকুর মতো এগিয়ে আসছে?
আমাদের অর্থনীতির ধূসর বাগান
কয়েকটি অচল মুদ্রার বৃক্ষে
শকুনি সংকেত এঁকে রেখেছে বহুদিন

তৈমুর খান
নব্বই দশকের কবি ও গদ্যকার।
জন্ম ২৮ জানুয়ারি ১৯৬৭, বীরভূম জেলার রামপুরহাট সংলগ্ন পানিসাইল গ্রামে । বাংলা সাহিত্য নিয়ে পড়াশোনা। বর্তমানে একটি উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহশিক্ষক পদে কর্মরত। প্রকাশিত কয়েকটি উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ হল :  জ্বরের তাঁবুর নীচে বসন্তের ডাকঘর, একটা সাপ আর কুয়াশার সংলাপ, প্রত্নচরিত, বৃত্তের ভেতরে জল, জ্যোৎস্নায় সারারাত খেলে হিরণ্য মাছেরা, নির্বাচিত কবিতা ইত্যাদি ।পুরস্কার পেয়েছেন কবিরুল ইসলাম স্মৃতি পুরস্কার, দৌড় সাহিত্য সম্মান এবং অক্সিজেন সাহিত্য সম্মান ।ঠিকানা : রামরামপুর, শান্তিপাড়া, রামপুরহাট, বীরভূম জেলা, পিন কোড ৭৩১২২৪, পশ্চিমবঙ্গ ।ফোন নম্বর ৯৩৩২৯৯১২৫০

****

ফিরোজ আখতার


কবিতা : সাধারণ বিভাগ



খাঁদুমামার ছোট মেসো

খাঁদুমামার এর ছোট মেসো
ব্যাটা ছিল বেজায় কেশো,
দিনের বেলা কাশতো বিকট
নাকের চুলে বাধতো যে জট ৷
সেই জটেতে বড়োই জ্বালা
কানের মাঝে লাগতো তালা -
ভোরের বেলা খুঁজতো চাবি,
হাঁফিয়ে গিয়ে খেতো খাবি ৷
ব্যাটা ছিল হেঁফো রোগী
শ্বাসের ব্যামো ছিল খুবই,
হাঁসফাঁস ফাঁস বুকের খুলি
দুচোখ ঠেলে বেরোয় বুঝি ৷
আবার ছিল বাতের অসুখ
উঠতে বসতে পেত না সুখ,
কুঁচকে রেখে ভুতুড়ে মুখ
দিবারাত্র সে করতো দুখ ৷
হঠাৎ সেদিন সকল ব্যামো
কেমন করে উধাও হলো,
রোগগুলো সব কোথা গেলো
মেসো এখন বেজায় ভালো ৷
কিন্তু মেসোর ভাবনা হলো
রোগগুলো যে কোথা গেলো !
এদিক খোঁজে, ওদিক খোঁজে,
রোগ ছাড়া তার চলবে না যে ৷
খুঁজতে খুঁজতে সারা হলো -
হদিশ কোথাও নাহি পেলো !
শেষ বেলাতে মাথার ব্যামো
বদ্ধ পাগল হয়ে গেলো |

ফিরোজ আখতার
****

প্রবীর রায়


কবিতা : সাধারণ বিভাগ


ক্রমু অনুসার

শেষপর্যন্ত নির্জন বলাবলির সুনসান
আগ্রহে নিয়ে ভরছে অন্তঃস্থ পকেট
ভারী মনে হচ্ছে নিজেকে
হালকা লাগার কথা হলকা লাগছে
জলের শিখায় পীড়া কীভাবে যে
সমুচিত শিক্ষিত করবে আমাদের
এই রাস্তা ও না ফেরার ছয়লাপে

প্রবীর রায়
শ্যামলছায়া উকিলপাড়া
জলপাইগুড়ি
735101
ফোন 9434061794

******

বিজয়


কবিতা: সাধারণ বিভাগ



সমাপ্তি 

জীবন গড়িয়ে যাচ্ছে আঁধারে 
বহু যোজন দূরে আলোর আদর ....
এক ভগ্নাংশ জোনাকি উলম্ব সাঁতার 
কাটে আকরিক আঁধারে 
অপার সৌন্দর্যের অনুভূতি তৈরি হয় 
চোখের সামনে 
হাত বাড়িয়ে ---হাতছানি ডাক দেয় 
রাতের জ্যান্ত আসবাবপত্র সব সাজানো থাকে ।
শুধু মুখচোরা জোনাকি সমাপ্তির 
দিকে যায় 
সেই সমাপ্তির দিকে আমি কি উড়ন্ত 
ফড়িং ?


ডুব কথা

আমার জানালা দিয়ে আকাশটাকে 
দেখা যায় ।আর সমস্ত রোদ 
জানালা ভেঙ্গে ভিতরে আসে ....
এসে একমুঠো আড্ডা মারে 
টেবিলের উপর ঘন্টা খানিক 
কথাবার্তা চলে অক্ষের সাথে 
তাদের ডুব কথা শুনতে পাই আমি ...
বিজয়
পশ্চিম মেদিনীপুর 
9547780358

বেবী সাউ


কবিতা: সাধারণ বিভাগ



গান লেখে লালনদুহিতা

তুমিও মৃত্যুর মত, সুশীতল আবেগ গহন
শিল্পকর্ম পেতো ধরো হাঁটাপথে আলোর কথন
অতীত শানিত নম্র চুপচাপ পথ আঁকে একা 
আমিও অবোধ যেন পেতে ধরি দুঃখের চিতা 

ক্লান্তিকর এই জন্ম শোক যেন আগুন ফলক 
তুমিও জাতক কথা মৃত্যুমুখী তার নাম হোক 
অধিক মিলন এই অন্তহীন অনুগান নামে 
বিবাহসঙ্গীত বাজে দূরে কোন বেদনার ধামে 

শোক নেই জন্ম নেই স্থিরতার অন্তত আলোক 
মৃত্যুর কুহক ঘ্রাণ তোর মাঝে স্থাপনের হোক 
আমিও নিশ্চিন্ত যেন কতকাল পথ ভেঙে একা 
ঘুমটুকু চেয়েছিল মৃতের শরীরে শান্তি রেখা 
আসলে মৃত্যুর নামে স্পৃহাহীন পেতেছে বিষাদ 
আমি তো ভেবেছি একে প্রেমজন্ম পেতে ধরা খাদ


*******


Baby Shaw 
Tribeni keshri complex 3/1 
Near basu villa 
Dimna road 
Mango 
Jamshedpur 831012
Mob no. 7004463348



*******

দেবদূত


কবিতা: সাধারণ বিভাগ


সাব অল্টার


প্রতিষ্ঠার নিচে কিছু আগুন
জলীয় মতবাদ নাকচ করে দিলে  
কারশেডে দুদন্ড জিরিয়ে নেয়
                       দূরপাল্লা ট্রেন

ধাওয়া করা ছায়া আজ পাস্কেল 
  প্রতিটা জানলা নাগরিক
চশমা চোখ
          চেনা মোমবাতি
                    রসতত্ত্বের বুদবুদ

নিকোলাস বিম্বিত বহুঘাত কাঁচফল
কলোনি বোহেমিয়ান সমবেত দ্বিঘাত

জ্যোতির্ময় চোখ মিলেনিয়াম পেরিয়ে
বেছে নেয় অগোছালো সব আলোছায়া
                  মেগাপড ভ্রুণ...
দেবদূত
জন্মঃ বর্ধমান জেলার কাটোয়ায়, 1983 সাল
প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থঃ খোলাবুক বন্ধ মন (2006)
ফেরারি মনের ঠিকানা(2009)
মন এক আগুনের নাম(2016)
গল্পগ্রন্থঃ মেয়েদের মোবাইল(প্রকাশিতব্য)
সাহিত্যচর্চাঃ কবিতা, গল্প, প্রবন্ধ রচনা৷

*******

অনিমেষ সাউ


কবিতা: সাধারণ বিভাগ



আত্মকথনে যুধিষ্ঠির

গ্রীবার ভেতর যাবতীয় প্রত্নসংবাদ
মহীরুহ হয়ে, পাশাপাশি ঘিরেছে আমার
মাথাভর্তি - সতত সভ‍্যতার ক‍্যালেন্ডার,
পা ভর্তি -  আদিম কারুকাজ
শব্দ বন্ধ করে দিচ্ছে সময়,
গলার ভেতর দলা পাকিয়ে।
একটা নির্মাণ পটভূমি
           জেহাদ বেছে নিল!
প্রত্নবৃক্ষের পাশাপাশি নিজেকে
ধর্ম বক রূপে পেলে
আমিও হাড়ে হাড়ে মৃত্যু উন্মোচন করতাম
                 প্রশ্নের ছকে
অনিমেষ সাউ

******

পার্বতী রায়


কবিতা (সাধারণ বিভাগ)


অ্যালকোহলিক

হরিণ জন্ম থেকে কিছু বলছি 
তুমি কি ভাসছো আলোতে !
সর্বাঙ্গে রেখাপাত ...

খানিক দাঁড়িয়ে যাও !

প্রহরী এসে নিয়ে যাক আলো 
স্রোতে ভাসবো না আর 

ঝড় মাত্রই  অ্যালকোহলিক


জ্বর

দু'এক কথা বলি 
কেমন আছো 
আমি হাঁটতে পারি না 
ইত্যাদি ইত্যাদি 

***
তোষকের নীচে বৃষ্টি বাড়লে 
উড়ন্ত পোকারাও মেঘের স্বাদ বুঝে নয় 
এসব ভাবলেই 
লেপের ভেতরে জ্বর আসে 

***
এমন করে তাকালে 
কি  কথা বলি 
তুমি তো তেমন নও 
যেমন একটা ঘড়ি
পার্বতী রায়
জন্ম - 1979, বাঁকুড়া
লেখার বয়স নেই , আগেও লেখা আসতো লেখা হয়নি সেভাবে । গত দুই বছর পুরোপুরি কবিতায় ' ' কবিতা পাক্ষিক থেকে কবিতার Journey শুরু । এখান থেকেই 2016 কলকাতা বইমেলায় গ্রন্থমালা সিরিজে আমার প্রথম বই "সূচিপত্রের দেশে "প্রকাশিত ।

****

মৃণালিনী


কবিতা : সাধারণ বিভাগ



" উষ্ণ সঙ্গম বরফে ভালোবাসা"

১।
রাতের নিস্তব্ধতায় যে গল্প বলে, রিপ্লে বোতামে তুমি মহানায়ক
নাভী চক্রের কেন্দ্রে তোমার  অবস্হান,
ঘোরাফেরায়  অবিরাম দৃষ্টি বদলে পারফিউম বগলে রাতের রিং টোন।

হৃদয় শব্দ  যখন বড্ড বেমানান
এগিয়ে যেতেই মুঠো হাতে, রাজধানীর চাকায় পিষে জন্ম  মন
মন হালকা পেজা তুলো-জল নজীর বিহীন,
ঠুনকো কাঁচ বা কিশোরীর হোমট্যাক্সের সাদা পাতা
ভালোবাসা স্বশরীরে ব্যান্ডেড কাঠ পেন্সিল, ইরেজার সময় ও প্রেমিকা!

২।                  
'হিয়া''-র দরদে প্রিয়া মশগুল লাল শাড়ি খয়েরি মদ
অ্যাডোলসেন্স বরফ গলে যাবার শেষ নিঃশ্বাসেও চুপ
ভাসমান  জ্বালায় গলনাঙ্ক, ঠোঁটের ইশারায় সাহারার মরুভূমি।

পায়ের তালুতে খোঁজে ভাগ্যরেখার মিল ও তিল
তিল ভ্রমণের পূর্ণ সহায়ক সঙ্গমে প্রার্থনা সঙ্গীত
                           কপূর সঙ্গমে শরীরের আগুন
শতগুণ আগ্রাসী বারুদ জ্যোতিতে

দাবানলে জঙ্গল পোড়ে  যোনি গহ্বরে  ভরাট ছাই।
শুক্রানুর কান্না আবাল ব্যর্থ  বাথরুমের মেঝে বুঝবে না
  শত  ঋতু কেটে গেলেও জনানা জরায়ু চাই।

৩।
রাত কাঁদে অঝোরে বালিস চুপসে  ফুটো বেলুন
ঘাপটি মেরে অছুত রঙ সব কাঠের বগলে দীর্ঘশ্বাসে নিরাশা
মিথের দোলনায় দোলনা দুলে বাস্তব হাঁটে স্তনের তালে তালে
পোশাকি সময়  ঢিলে হলে মমতাময়ী জননী গড়াগড়ি মাঠে
তুলতুলে স্তনের নীচে নিঃশব্দে চেটে হাহাকার
      রাতে আরও একটি ফ্রী প্যাকেজ ভাষণে।

বর্ষার সাপ আর ভাদ্রে কুকুর গর্ভবতী
ব্লাউজের টাইট বোতামে ঋতুময়ী
মেদ জমা কোমরে  আদিম কালের নব সংস্করণ জননী।
সঙ্গম মঙ্গলময় ধর্ষণ মন খোঁজে  উপযুক্ত যোনি
তীর্থেরা কাকেরা মধুর বানীতে গুঁজে রাখে
              নিজ নিজ উসংহারহীন সঙ্গম কাহিনি।
মৃণালিনী
জন্ম-উত্তরবঙ্গ
শিক্ষা জীবন- বাংলা (এম.এ) এডুকেশন (এম.এড)
পেশা-শিক্ষকতা
প্রকাশিত গ্রন্থ- স্বপ্নের ধূসর রঙ ( কবিতা - বইমেলা -2017) ও
বাতিলের একটি দিন (উপন্যাস - বইমেলা -2017)
পছন্দ- বই পড়া, লেখা, সিনেমা ও গান শোনা এবং গল্প করা।

******