এখন তরঙ্গ তে লেখা পাঠান প্রতিমাসের ৫ থেকে ২০ তারিখ অবধি

ব্রতশুদ্ধ

বিভাগ : কবিতা (জোনাকি পাঠ)



পালক উপাখ্যান


আমার চিতা স্পর্শ করে দেখো।
গজগজিয়ে ওঠা ধোঁয়ার পাণ্ডুলিপিতে
তুমি খুঁজে পাবে আমার নিরাকার লোবান।

আমার হাত আর বরফ খুঁজে ফেরে না।

মৃত্যু থেকে আবার শুরু হলে আমি শীৎকার দিয়ে তোমার প্রতিটি ভ্রুণবিরহে গুঁজে দেবো দূরবর্তী আন্দামানের জল।

তুমি শেফালি ফুল ভালোবাসো।
আমি রেলিং ভেঙে তোমায় নিয়ে যাবো
নিষিদ্ধ দেশের সাদা-কমলা মানচিত্রে।

আরেকবার উড়ি চলো।
কৈশিক পথের নিঃশব্দ চরাঞ্চলে।

মন্যুমেন্ট হয়ে দাঁড়িয়ে থাকা
উপাখ্যান পায়রার পরবশ পালকে হয়ে।


ব্রতশুদ্ধ

সম্পাদক- কারনেশন ম্যাগাজিন 

সম্পাদক-সিন্যাপস সাপ্তাহিক ব্লগজিন

ময়মনসিংহ, বাংলাদেশ।




ঐন্দ্রিলা মোহিন্তা

বিভাগ : কবিতা (জোনাকি পাঠ)



কালো খেঁজুরের প্লাটফর্ম

সমকালীন নক্ষত্রঢাকা রিচড ব্ল্যাকবোর্ড
গুঁড়োগুঁড়ো নীহারিকার বাদামী ওষ্ঠ
আঠালো চেতনা । সম্ভ্রমভেদ্য টুকরো
ডেরিভেটিভের ভ্রান্তিবিলাস
                                   শ
                                   স্ত্র  মৌচাকে অষ্টভুজা রমনী

মুহূর্তমুখী ভরবেগ
লাস্ট সাপারের অ্যাড্রিনালিন বীজত্বকে
আকাশবাণী কয়লার বাদশাহী স্ফটিক

ছাতিমফোটা ব্রেনে
মুরগির লাল পালক ঝড়তে থাকে...

রক্ষিতা

পাতারন্ধ্রে মিথেনসিকনেস
একটা নদীজন্ম লেখা উডল্যান্ড তট

বালুচরি চাহনি । গন্ধহীন রেকাবিতে
রিনরিনে :  ঘুঙুর নাকি  নূপুর !

তাঁতকেশে কোঁচকানো মানজাঁতি
টুকরো নৌকাকাঠ । সেগুনে বিক্ষিপ্ত  
পেনগুইন । ভাসমান অশরীরি
ফুলকি ! পালকি চোবানো দুধে : সাঁতারু
নবমছানা । বাতাবিজলের গ্রে ইঞ্জিন ।

দোলনাঝোলা সিউডো কঙ্কাল : আশির
শাদা বায়স্কোপ !



ঐন্দ্রিলা মোহিন্তা


একুশে শ্রাবণকলিজার ঐন্দ্রিলা

সাহিত্যবৃত্তে শিকড়,

খুঁজে চলেছে ।

দিমাগি সফ্টওয়ারের যন্ত্রখিদে কবিতার 

চিরাচরিত ঘোর কাটাতে অক্ষম !

এভাবেই পথ চলা



অনুরূপা পালচৌধুরী

বিভাগ : কবিতা (জোনাকি পাঠ)



আঠাশিয়া তত্ত্ব


পরশু রাতে চান করেছিলাম
জল ফোট ____ টুপটুপ ঝরাটুপ
বন্ধ্যা বৃষ্টি, ফসল ফলেনি
চির খাওয়া অনুর্বর জমি
নুড়ি বালি।চুষে নাও সামুদ্রিক নোনতা রস
বীজ বপন। ইঞ্চিখানেক অবসাদের গভীরতায় ডুব দেয় চাতকী
দ্যাখো আঠাশে যুগান্তর
তীক্ষ্ণ, লক্ষ্যভেদী বাণ
আগেও কিন্তু থামিনি,চলেছি
বছর উল্টিয়ে।মাস দিন ক্ষণের ফাঁকে গলছে খান্ডা খান্ডা বদরক্ত
থুপ থুপ ৫ থুপ
বাকী তেইশে অর্কিডের হাওয়া
সুগন্ধি ধূপ...বসন্তের থকথকে সাদা সাইটোপ্লাজম
গর্ভের নিউক্লিয় রস চিবিয়ে খাই


অনুরূপা পালচৌধুরী

রানাঘাট

কবি উবাচ:


স্বাধীন বাংলা,স্বাধীন আমার দেশ।
স্বাধীনতা অতিক্রান্ত আজ বহু বছর পরেও কিন্তু সেই স্বাধীন জীবনের অখন্ড পর্যায়ে ভাসে খন্ড খন্ড পরিনতি।
কখনো সমাজ, কখনো জীবন,কখনো ধর্মের আওতায় ভাসে অনিশ্চয়তার অনুভূতি। স্বাধীনতার বর্মে মোরা নারীর পরাধীন অনুভব-অনুভূতি। ভালোবাসার সূক্ষ্ম অনুভূতি থেকে যৌনতা কিংবা ব্যক্তিত্বের স্বাধীন নারী অনুভূতি আঘাত পায় পেশীবহুল শরীরে,পুরুষতান্ত্রিক ঔরসে। পুরুষত্বের দাপাদাপিতেই যেন বাঁচে ঠিকানা বিহীন নারীত্ব,সৃষ্টি। খুঁজে নেয় ঠিকানা,চাওয়া পাওয়া,স্বতন্ত্রতা,স্বাধীনতা,মর্যাদা, গুরুত্ব,সম্মান। তাই সেই নারীত্বের মাপকাঠি থেকে বেড়িয়ে এসে নারী ইচ্ছার প্রাধান্যতেই এই লেখনী তোলা। আর তা থেকেই সৃষ্টি ঠিকানাবিহীন কোন এক নাম না জানা রূপনগরীর ভাসমান জীবাশ্ম জাত অনুরূপ:রূপলেখা।





অর্ণব মন্ডল

বিভাগ : কবিতা (জোনাকি পাঠ)


দম চড়াই

এক টানে দম চড়াই-
দুটো নিশ্বাস জড়িয়ে যায় বুকে;
কিছু প্রেম নামক অসুখ
নিজেকে শেখায় বোকামির বায়োগ্রাফি!

তোমার আলগা আলগী অভিনয়
টিভি পর্দা ফুঁড়ে জেরক্স কপি-
মগজের সোহাগ

সাক্ষাৎ অভিমানী....
মধ্যাকর্ষের সম্মোহন
আমার পাঁজর ঘেঁষে,
শ্লেষাত্মক অসস্তি
থকথকে ফুসফুসে -
ঘুমজড়ানো তোমার এইচ.ডি নেশা!

আরও একটা টানে
দুটো দম
পুড়ে যায় চার খুঁটির মাঝবরাবর একবুক নিশ্বাস জড়িয়ে॥


অর্ণব মন্ডল

বাবার নাম-অশোক কুমার মণ্ডল
মা নাম-বন্দনা মণ্ডল
গ্রাম+পোস্ট-বরুণহাট
জন্মস্থান-হাসনাবাদ
থান- হাসনাবাদ
জেলা- উত্তর চব্বিশ পরগনা


রুমেলা দাস

বিভাগ : কবিতা (জোনাকি পাঠ)



“সময়”

আমার চিন্তা হয় প্রকৃতি কিভাবে মনে রাখবে
প্রতিটা ফুল কিভাবে ফোটে,প্রতিটা বিষাদ
শুষ্ক ফলের বীজের ভিতরের শাঁসের মতো।
প্রকৃতি তার ঝুড়ি এনে কুড়িয়ে নিচ্ছে
শিশিরের আঘাতে পড়ে থাকা,
শিউলির সুখের পাপড়ি।
সময় এগোচ্ছে,
সবচেয়ে লাল ফলটিও খুব কাছে নয়।।


“মিথ‍্যে”


অক্ষর সাজিয়েছো আমাকে নিয়ে,
কদাচিৎ সত্যি তার!
সে কথার ভাষাটুকু আপন
আমি পেলাম কেবল নীরবতা।।


রুমেলা দাস

রবীন্দ্রভারতী বিশ্ব-বিদ্যালয় থেকে বাংলা সাহিত্যে স্নাতকোত্তর ডিগ্রী।নেতাজি সুভাষ মুক্ত বিশ্ব বিদ্যালয় থেকে জার্নালিজম এ ডিপ্লোমা স্নাতকোত্তর।বেসরকারি কিছু নিউজ চ্যানেলে সংবাদপাঠক হিসাবে কাজ।
বর্তমানে কলকাতার বাইরে।সাহিত্যের সাথে যুক্ত।
কলকাতা 24*7ওয়েব ম্যাগাজিন,বাঁকুড়া থেকে প্রকাশিত ওয়েব অন্তর্বর্তী শুন্যতা, ফেরারি ওয়েব,অর্বাচীন পত্রিকা সহ বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় কবিতা,গল্প প্রকাশিত।প্রচ্ছদ অঙ্কন অর্বাচীন পত্রিকা ও বর্ণীক প্রকাশনার বিভিন্ন সংকলনে।
অনুপ্রেরণা-একমাত্র কবিগুরু।



অনুপ বৈরাগী

বিভাগ : কবিতা (জোনাকি পাঠ)


লেভেল ক্রসিং

সিঁড়ির আটধাপে শুয়ে আছে স্কেচবুক
লেড লেটারে ইরেজার চুমু=ফেডেড লাভ
এক কাপ স্টেরয়েড ঢুকুঢুকু
ওরগাজমের শিবনেত্র
শিহরনের চিৎকার
এক কোশ হরমোনাল হারমনি
দুশ ঊননব্বই দিন গঙ্গাজলে ডুব সাঁতার
হাড়ভাঙা সুখের চাতালে ট্রিগার রিলিজ
প্রজননী >> প্রো জননী >> জননী....


টু অ্যান্ড হাফ

মাঝপথে শুরু করে
বিড়ালের জেব্রা ক্রসিং আরও দুবার

শিরা ছেঁড়া থার্ডলেন
খিদে | দীর্ঘশ্বাস | মেহনত

গরীবী জঞ্জাল সাফ
স্বচ্ছ / নির্মল সারজিক্যাল স্ট্রাইক

প্রতিটা পায়ের ছাপ ফেয়ার : স্মার্ট


অনুপ বৈরাগী


কবি উবাচ :

আমার ঠিক কবি হিসেবে কোন পরিচিতি নেই। তাই কবি পরিচিতি ব্যাপারটাই গোলমেলে। কবি বলতেও বাঁধো ঠেকে।

পরিচিতি বলতে আমি ডাক্তার কর্মসূত্রে। দক্ষিণ বারাশত বাড়ি। কাজের জন্য ডায়মন্ড হারবার থাকি। টুকটাক লিখি। লেখার জগতে একেবারেই আনকোরা।নিজের কোন বই আপাতত নেই
দু চারটে ম্যাগাজিন আর কিছু ব্লগে লেখালেখি ।

ব্যস এটুকু । 

অজ পাড়া গাঁ থেকে আসা একজন । ভালো ভালো মানুষের সান্নিধ্য খুঁজি। কিছু শেখার চেষ্টা করি।


সবর্না চ‍্যাটার্জ্জী

বিভাগ : কবিতা (জোনাকি পাঠ)


চিরসঙ্গী


এক একটা স্মৃতি যেন সমুদ্র!
গভীরতায় ডুবতে ডুবতে বাজচ্ছে
হুঙ্কারী আলাপ,
এ মালকোষে কথা বলে বুকচাপা চিৎকার।
গলছে এক একটা পাথরের স্মৃতি,
বরফ সাদা ফেনায় বয়ে যাওয়া সমস্ত
ঝিনুক, ছটফট করে বন্দী মুঠো,বিচ্ছেদ যন্ত্রণায়!
মুক্তোরা ফেলে যায় প্রতিচ্ছবির গাঢ় জল। দাপুটে ঢেউ বালিঘড়ি গুনে তুলে রাখে বিচ্ছেদ,সময়ের খাতায় ।
কোলে মাথা দিয়ে শুয়ে আছে স্মৃতি,
না-বিস্মৃত ঘোরে।
নীলাঞ্জলি দেবে যত ভদ্রতা, চোখের জলে।
এক একটা ঢেউ এক একটা মানুষের ছদ্মবেশে
সূর্যাস্তের অন্তিমে ভাঙছে গোধূলির রঙ।
সমুদ্রের বুকে আবার ভাসব আমি, স্মৃতির চিরসঙ্গী হয়ে।।


সবর্না চ‍্যাটার্জ্জী

কবি উবাচ:

কম্পিউটার প্রযুক্তি বিদ্যায় উচ্চ ডিগ্রী থাকা সত্ত্বেও উপার্জনের যন্ত্র হয়ে উঠতে চাইনি।সংসারের চেনা শব্দের ভিতরেই খুঁজে পাই অমরতার বীজমন্ত্র।তুচ্ছ যা কিছু, ছায়া ফেলে  মনে,তাই রূপ পায় নানা কলাশিল্পে, কখনো রঙ তুলিতে,গানের ছন্দে, কখনো শব্দে।নিজেকে অবিরত ভাঙাচোরা করে সাহিত্যকর্মীর পবিত্র নিষ্টায় এগিয়ে চলেছি।
নিয়মিত কবিতা ও প্রবন্ধ বিষয়ক বিভিন্ন স্বাদের লেখা প্রকাশিত হচ্ছে যে সব পত্রিকায়,তার নাম দেওয়া হল--

কবিতা নিয়মিত প্রকাশিত হতে থাকে নিম্নোক্তো পত্রপত্রিকায়--
ট্রৈনিক, অতসী,হরিৎক্ষেত্র, তবুও মানুষ,পারিজাত,চারুপ্রকাশ,অজন্তা,কবিমশাই সাহিত্য পত্রিকা,অর্বাচীন,সমবেত(অপেক্ষায়)
ছোটদের ওয়েব ম্যাগাজিনের মধ্যে ---
ইচ্ছামতী ছোটদের মনের মত ম্যাগ,ম্যাজিক ল্যাম্প,জয়ঢাক(অপেক্ষায়)
কবিতার সংক্রান্ত ওয়েব ম্যাগের মধ্যে--
অন্তর্বর্তী শূন্যতা সাপ্তাহিক ব্লগজিন,kolkata ২৪ * ৭ অনলাইন ম্যাগাজিন, ফেরারি(অপেক্ষায়),তরঙ্গ(অপেক্ষায়)।
এছাড়া ধারাবাহিক ক্রমশ প্রকাশ্য ফেজবুক পেজ,প্রতিলিপি ফেসবুক পেজ।


সৌম‍্যকান্তি চক্রবর্তী

বিভাগ : কবিতা (জোনাকি পাঠ)


চেতনার বিচ্ছুরণ


জ্যামিতিক উচ্ছ্বাসের মত
ইতিউতি ছড়িয়ে পড়ে চেতনার বিচ্ছুরণ ,
তোমার মনকে খুঁজে বেড়ায় আমার
মনের অচল টেলিপ্যাথি ,
হৃদয়ের সামাজিক ছন্দ পায় না
আর অতিভুজের শর্টকাট ,
যৌনতা দিয়ে ছড়াতে পারি না কবিতা জনপ্রিয়তা ,
তাই মনের কিচেনে আজ আধপোড়া কবিতার ব্যঞ্জন ,
অন্ত্যমিলের স্যুপ আর অপ্রাসঙ্গিক অশ্লীলতার স্যান্ডউইচ ...স্বাদকোরকের জিন
বদলাতে হবে না বলো ?


সৌম‍্যকান্তি চক্রবর্তী

সিটি সেন্টার, দুর্গাপুর, পশ্চিম বর্ধমান


জন্ম: ১৯৭৮ সালের ২৯ শে নভেম্বর
সৌম্যকান্তি চক্রবর্তী গত দুই বছরের বেশী দুই বাংলার বিভিন্ন পত্র পত্রিকা, সংকলন , ব্লগ ইত্যাদিতে  লিখছেন । তাঁর লেখা কবিতা অন্বেষা , শিল্প ও সাহিত্য,  আমাদের লেখা , ঝিনুক , আমি অনন্যা , সৃজনী , কহিসুর , সাহিত্য আলপনা , অল্পকথার কোলাজ,  বনজোছনা , পুষ্পখেয়া ইত্যাদি পত্রিকায় বেরিয়েছে । এছাড়া কবিতা শতক ২ , কবিতা সিন্দুক ২১ , নবকিরণ ও নবারষ নামে চারটি কবিতা সংকলন প্রকাশিত হয়েছে ।




অরিন্দম ভাদুড়ী

বিভাগ : কবিতা (জোনাকি পাঠ)



জলছবি


১।
ছাদ জুড়ে বৃষ্টির ফেলে যাওয়া জলছাপ,
আঙুল দিয়ে কিছু বেনামী চিঠি লিখলাম তোমাকে
আবার বৃষ্টি আসার আগে পড়ে নিও |
ইচ্ছে হলে কান্না,অল্প হাসি,
ওখানে কিছু সুখও লেখা আছে |

এই ছাদে কেউ আসে না,
সব হাসি-কান্না আড়ালেই থাকবে |

চাইলে অপেক্ষা করতে পারো
পরের বৃষ্টির জলছাপ অবধি
আমার জন্য চিঠি রেখে যেতে…

২।
তোমারও বলিহারি !
সঙ্গমে পা ছুঁলে,প্রণাম করবে তাই বলে ?
আর এই যে অন্ধকার !
আলতামিরার গুহাবাসীরা ধার মানতো তার ?
অথবা,নীল নদের পাড়ে,
ধানসিড়িটির তীরে,
আদিম লেখক পরোয়া করেছেন সূর্য্যদেবের ?

চলো,একদিন কার্ফু ডাকি,
শহরে জারি হোক ১৪৪ ধারা !
ফুটপাথে থাকে যারা
শুধু ওদের সামনে,
শুধু ওদের সামনে আকাশ ভাঙা বৃষ্টিতে
পার্ক স্ট্রিট পাঁচ মাথায়
যেখানে দুর্ঘটনা হয়—
মিলিত হই

৩।
জাফরান রঙের বিকেলটা ঢলে পড়লো
চোখের সামনে,
অজান্তেই হাতের কাপ খালি !
দুধ-চা বদলে কখন যে তরল হলদেটে দাহ্য রূপ নিলো
খেয়াল করিনি |
কোল্ডস্টোরেজের দু টুকরো বরফ তার মধ্যে
শব্দ করে
নিজেদের অস্তিত্ব জানান দেয় !
এক পাত্র
দুই পাত্র,তিন,চার...
সোনালি সভ্যতা বললো 'এখন সন্ধে',
নাগরিক একটু করে চুমুক দিচ্ছে মৃত্যুতে...


অরিন্দম ভাদুড়ী

জন্ম ১১ই জানুয়ারি,১৯৮২
পেশা চাকুরি
২০১৪ থেকে লেখালেখি |
প্রথম প্রকাশ অপদার্থের আদ্যক্ষর পত্রিকায় |
এরপর পদক্ষেপ,বেদুইন,প্রমার পরশ,নবারুষ,যুগ সাগ্নিক ও আরো কিছু পত্রিকায় এবং বল্গজিনে নিয়মিতভাবে প্রকাশ |
প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ "না লিখতে পারা আমার বই"





সুদীপ ব‍্যানার্জি


বিভাগ : কবিতা (জোনাকি পাঠ)


পিছমোড়া

বিশুদ্ধ কিছু মেঘ দেখলে
চামড়া তোলার আগে
হাড়ের ডেন্সিটি মেপে
ছেড়ে দাও উপমেঘ করে...

ঘামলে, পত্নী উপপত্নীর তফাত
ছকে ফেলে,
জল করে দাও...

ছেড়ে দাও কিছু নেড়ি নেড়ি মেঘ
কুত্তার  দরবারে...

কিংবা কৃত্রিম উপগ্রহে
জন্মেছে যে তিতকুটে শ্যাওলা...
গামলা ভ'রে গিলিয়ে দাও
অগ্রদানী মেঘের খাদ্যনালীতে...

...এরপর প্রক্রিয়াকৃত রোদ উঠবে....


সুদীপ ব‍্যানার্জি

হুগলী জেলার ধণিয়াখালির বাসিন্দা।
ইংরাজি সাহিত্যে স্নাতকোত্তর।
পেশা --শিক্ষকতা।
সম্প্রতি প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ---"তিন পাত্তির তাস"।



সন্দীপ দাস

বিভাগ : কবিতা (জোনাকিপাঠ)


এমন তো কথা ছিল না আনন্দি !!


এমন তো কথা ছিল না আনন্দি !!
তুমি বদলে যাবে হঠাৎ করে,
নিজেকে সপে দেবে অন্যের ঘরে,
এটা তো বলনি কোনদিন আমায় !!
আমি তোমায় ভালবেসেছিলাম আনন্দি ,
তোমার সমস্তটাই নিজের বলে ভাবতে
শুরু করেছিলাম,
আমার রূপ ছিল না শরীরে, তাই বোধহয় 
ওরা তোমায় নিয়ে চলে গেল এত সহজে ।।
আচ্ছা আনন্দি মনে পড়ে সেই বৃষ্টির দিনগুলো,
অথবা শীতের বিকেলগুলো,
পুকুর ঘাট,শুনশান পথ 
হালকা ঠোঠ চিরে বেরিয়ে আসা ধোঁয়া,
একটা ছোট্ট কথা তোমাকে দেওয়া,
আমি তোমায় ভালোবাসি আনন্দি
আর তো কটা মাস,
বিদেশ থেকে ফিরতে বাকি আমার --
এই একইভাবে অপেক্ষা করবে তো আমার ??
তুমি কথা রাখ নি আনন্দি,
আমার জন্য একটিবারও  বেঁচে দেখতে চাও নি ।।
প্রতিরাতের মতোই এরাতেও
ছেড়ে চলে গেছো আমায় ।।
এমন তো কথা ছিল না আনন্দি !!




সন্দীপ দাস

কবি পরিচিতি
জন্ম : ১৬ সেপ্টেম্বর ১৯৮৭
আসানসোলের রূপনারায়নপুরে ,তবে বর্তমান ঠিকানা হল ১৮৬ / ৩ মহেন্দ্র ভট্টাচার্য রোড , কলাবাগান , হাওড়া , পশ্চিমবঙ্গ , ভারত , ৭১১১০৪ ।।

আমি বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজি স্নাতক ।।
সেই সময় থেকেই লেখালেখি পূর্ণ মাত্রায় শুরু করি অবশ্য ঝোঁক আগে থেকেই ছিল ।।
মিতুল দাস ও হারান দাস ছদ্মনামেও আমি লিখে থাকি ।। আমি মধ্যপ্রদেশে সরকারের অধীনে বর্তমানে কর্মরত ।। বর্তমানে আমার হারানো কথা , cafe কবিতা , প্রেমের ইতিকথা বই প্রকাশিত হয়েছে এবং পশ্চিমবঙ্গের ও বাংলাদেশের ( উল্লেখযোগ্য অভিযাত্রী )বহু পত্রিকায় আমার লেখা প্রকাশিত হয়েছে ।।




কৃষ্ণেন্দু দাসঠাকুর

বিভাগ : কবিতা (জোনাকি পাঠ)


অভিনীত


পৃথিবীটা সশব্দে ফেটে পড়ল না তো!
মঞ্জুষা তুমি বলেছিলে---
আমার গায়ে যেদিন পরপুরুষের
গন্ধ উঠবে।

রাস্তার প্রতিটি সাইনবোর্ড
ভাঙা লাল সাইকেল
রঙ ওঠা পাঁচ বছরের জামা
রি রি করে তেড়ে আসে।

অস্তিত্বের তর্কে,বন্ধু বিচ্ছেদ।তবু--
নক্ষত্রপথ ফাটিয়ে রক্ত দিয়েছি,
নদীর জলে উদ্দেশ্যসাধক ঘটি
চামড়া ফাটা আকাশের টিটকিরি
যেন,মঞ্চে মৃত সৈনিকের অভিনয়।

বাঃ! ভালো। বেশ ভালো।
পৃথিবী এখন পাত্তাড়ি গোটাইনি!
ধর---ধরলাম।
বাঁধো---বাঁধলাম।
চলো---চললাম।


কৃষ্ণেন্দু দাসঠাকুর

কান্দরা, পূর্ব বর্ধমান

বি.এ(অনার্স) এম.এ(বাংলা)।
পেশা : শিক্ষকতা
৫০-৫৫ অনলাইন+ প্রিন্টেড পত্রিকার সাথে যুক্ত।
বলাকা নামক একটি ত্রৈমাসিক পত্রিকার সম্পাদক।
নিজের একটি নাট্যগোষ্ঠী আছে।
তিনটি যৌথ কাব্যসংকলনের কাজ চলছে।
মূলত কবিতা,অনুকবিতা,গল্প,অনুগল্প, ছড়া লেখার চেষ্টা করি।



কৌস্তভ সোম

বিভাগ : কবিতা (জোনাকি পাঠ)



পর্ণ ও ট‍্যাবু

আমার দৃষ্টিকোণ X×X=x2
সমাজের দৃষ্টিকোণ X+2X=3x
তাকে মেনে নিয়েও,বিভাজ্যতার নিয়মে
'কতগুন' পড়ে থাকে,'কতবড়' নয় |
ছোট ও বড় 'উল্টো হার্ট সাইন'
'লম্বালম্বি তীরের মাস্টারবেশন্'...
নেশা...নেশা...নেশা...
অ্যালকোহলিক্ তোর গায়ের গন্ধ ||
পোশাকের শীতঘুম কেটে গেলে,
রিসেন্ট পেজ ইক্যুয়াল টু 'তুমিপর্ণ ডট কম্' |


কৌস্তভ সোম, 

মধ‍্যমগ্রাম, বর্ধমান