এখন তরঙ্গ তে লেখা পাঠান প্রতিমাসের ৫ থেকে ২০ তারিখ অবধি

মোঃ অাখ্তারুজ্জামান অাশা


ছড়া


১.....
খুকুমণির বিয়ে

বাজলো সানাই
পালকি এলো
অাজকে খুকীর বিয়ে;

বউ সাজিয়ে
পালকি করে
যাবে তাকে নিয়ে।

লাল অাঁচলে
ঘোমটা টেনে
যাবে পরের ঘরে;

তাইনা দেখে
বাবা-মা'য়ে
কান্দে গলা ধরে।

অাজকে অামার
লক্ষ্মীসোনা
যাবে পরের বাড়ি;

সাত সমুদ্র
তেরো নদী
দিতে হবে পাড়ি।

যাবার সময়
নয়ন বারি
বেঁয়েবেঁয়ে পড়ে;

বাবা-মা'য়ে
দিচ্ছে বিদায়
চোখের রণি ঝরে।

যাওগো সোনা
লক্ষ্মী ময়না
বাপের ভিটা ছাড়ি;

থাকবে সুখে
সারাজীবন
গিয়ে নিজের বাড়ি।

ধন্য করো
স্বামীর ঘরটি
সুখের পরশ দিয়ে;

সেই মহলে
সদাই সুখী
শুনি যেন গিয়ে।

১৭/০৪/২০১৭ইং ১৪ই বৈশাখ ১৪২৪ বঙ্গাব্দ।


২.....
ভূত

একা পথে
যাচ্ছ কোথা,
ভয় করে না
ছোট্ট তোতা?

সন্ধ্যা ঘনায়
অাসলে পরে,
অাসবে তখন
কেমনে ঘরে?

ভয়ে এখন
জড়োসড়ো,
কাঁপছ কেন
থরোথরো?

পূব গগনে
কদম তলে
ভূতের ছায়া
অাসবে চলে।

প্রাণটা তোমার
উঠবে কেঁপে
ভয়ে বুকটা
ধরবে চেপে।

দেখলে পরে
ভূতের কায়া
করবে নাকো
একটু মায়া।

এই বয়সে
লক্ষ্মীসোনা ,
পূব গগনে
আর যেয়ো না ।

যখন তুমি 
হবে বড় ,
ভূতকে তুমি
বন্ধু কর।

বড় হলে
থাকবে না ভয় ,
ভূতের মনটা
করবে যে জয়।

২৫/০৪/২০১৭ ইং ১২ই বৈশাখ ১৪২৪ বঙ্গাব্দ।


৩....
চড়ুইভাতি

অায়রে খোকা
অায়রে খুকু
খেলতে সবাই যাই;
মজা করে
জুটি বেঁধে
খেলব অামরা ভাই।

ঝগড়াঝাঁটি
মারামারি
করব না তো কেউ;
কাগজ দিয়ে
নৌকা গড়ে
তুলব নদীর ঢেউ।

বালি দিয়ে
ঘর সাজিয়ে
খেলব পুতুল বিয়ে;
সেই ঘরেতে
নয়া জামাই
যাবে কনে নিয়ে।

মিছিমিছি
কাঁদব সবে
কনের বিদায়ক্ষণে;
বুঝবে সবাই
বিদায় দিতে
কত দুঃখ মনে।

পরের দিনে
অানব কনে
জামাই বাড়ি গিয়ে;
এমন অনেক
মজা করে
সাঙ্গ হবে বিয়ে।

মিছিমিছি
বিয়ে খেলা
একনিমিষে গুড়া ;
যত্নে গড়ে
ভেঙ্গে ফেলি
হিমালয়ের চূড়া।

২৮/০৪/২০১৭ইং ১৫ই বৈশাখ ১৪২৪ বঙ্গাব্দ।

মোঃ অাখ্তারুজ্জামান
অাশা ~সাহিত্য জগতে অপরিচিত একটা নাম। জন্ম ১৯৮০সালে, কুড়িগ্রাম জেলার,ভূরুঙ্গামারী উপজেলার,,বাংলা সোনাহাট ইউনিয়নের ময়নাতলা বাজার ঘেঁষে মরানদীর পাশঘেরা উত্তর ভরতের ছড়া গ্রামে।
পিতাঃমৃত মনতাজ অালী দেওয়ানী,মাতা মোছাঃ রাবেয়া খাতুন। বাবা ছিলেন একজন কৃষক। প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা বলতে বাবার সংসারের টানপোড়ন অবস্থায় সোনাহাট বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় হতে বিজ্ঞান বিভাগ হতে ফাস্ট ডিভিশনে পাশ করে নিজ উপজেলা ভূরুঙ্গামারী ডিগ্রী কলেজ থেকে১৯৯৮ সালে এইচ.এস.সি ও ২০০০ সালে বি.এস.সি বিজ্ঞান বিভাগ থেকে সেকেন্ড ডিভিশন নিয়ে পাশ করে শিক্ষকতা পেশার সাথে জড়িত। এখন দুঃখ, অনাচার, দেশের বঞ্চিত মানুষের কথা তাঁকে জাগ্রত করে। অধিকার চাইতে এসে তাঁর কবিতার হাতেখড়ি।সাধারণ মানুষ হয়ে মানুষের পাশে থেকে আল্লাহর রহমতে লিখে যেতে চান। সবার নিকট দোয়া পার্থী।

No comments:

Post a Comment