অণুগল্প
নিমগ্ন পাঠক
ঢিলেঢালা একটা ফতুয়া। মাথায় রুপোলি চিকণ চুলে জ্যোৎস্না চিকমিক করছে। লোকটা ঝুঁকে পড়ে একমনে পড়ে চলেছে বইটা। জানলার গারদ ভেঙে চুঁইয়ে আসা পেলব আলোয় ঠিক ঠাহর করতে পারলাম না তার মুখ, যদিও অবয়বটি বড়ো চেনা মনে হল।
নজর পড়তে দেখলাম, এ তো আমারই বই। আমার লেখায় এমন নিমজ্জিত পাঠক এর আগে কখনও দেখিনি। মনে মনে হয়তো একটু গর্ববোধও হল।
কিন্তু এই সময় আমার লেখার টেবিলে এই নিমগ্ন পাঠকটি কে, যিনি এই স্বল্প আলোকেও এমন বিভোর হয়ে আছেন আমার লেখায়?
এগিয়ে গিয়ে কুতুহলী মনে প্রশ্ন করি, 'কে আপনি?'
কোনো উত্তর এল না।
টেবিলে ঝুঁকে তাঁর নিথর নিষ্পলক চোখে চোখ পড়তেই চমকে উঠি।
হতভম্ব হয়ে পালাতে যাব, এমন সময় তিনি জিজ্ঞেস করলেন, "কোনো লেখকের সবচেয়ে বড়ো পাঠক কে জানো?"
কাঁপা ভয়ার্ত কণ্ঠে বললাম, "কে?"
উত্তর এল, "লেখক নিজে। "
ঢিলেঢালা একটা ফতুয়া। মাথায় রুপোলি চিকণ চুলে জ্যোৎস্না চিকমিক করছে। লোকটা ঝুঁকে পড়ে একমনে পড়ে চলেছে বইটা। জানলার গারদ ভেঙে চুঁইয়ে আসা পেলব আলোয় ঠিক ঠাহর করতে পারলাম না তার মুখ, যদিও অবয়বটি বড়ো চেনা মনে হল।
নজর পড়তে দেখলাম, এ তো আমারই বই। আমার লেখায় এমন নিমজ্জিত পাঠক এর আগে কখনও দেখিনি। মনে মনে হয়তো একটু গর্ববোধও হল।
কিন্তু এই সময় আমার লেখার টেবিলে এই নিমগ্ন পাঠকটি কে, যিনি এই স্বল্প আলোকেও এমন বিভোর হয়ে আছেন আমার লেখায়?
এগিয়ে গিয়ে কুতুহলী মনে প্রশ্ন করি, 'কে আপনি?'
কোনো উত্তর এল না।
টেবিলে ঝুঁকে তাঁর নিথর নিষ্পলক চোখে চোখ পড়তেই চমকে উঠি।
হতভম্ব হয়ে পালাতে যাব, এমন সময় তিনি জিজ্ঞেস করলেন, "কোনো লেখকের সবচেয়ে বড়ো পাঠক কে জানো?"
কাঁপা ভয়ার্ত কণ্ঠে বললাম, "কে?"
উত্তর এল, "লেখক নিজে। "
প্রশান্ত সেন (সাত্যকি) |
ফ্ল্যাট ই/৩, চতুর্থ তল,
ঝিলিক অ্যাপার্টমেন্ট,
নজরুল পার্ক, পূর্ব নারায়ণতলা,
থানা - বাগুইআটি, ডাক - অশ্বিনীনগর,
কলকাতা - ৭০০ ১৫৯
পশ্চিমবঙ্গ, ভারত।।
যোগাযোগ : +৯১-৯৮৩০৯২৫৩৭২
/+৯১-৯৮৩০৪০৫৩৭২
হোয়াট্স অ্যাপ - +৯১-৯৮৩০৯২৫৩৭২
ই-মেল :
prasanta.satyaki.sen@gmail.com /
psen.1981@gmail.com
No comments:
Post a Comment